পর্যটন ও এভিয়েশন খাতের সমস্যা দূর করতে সরকারে নীতিগত সহায়তা চায় অ্যাসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস অব বাংলাদেশ (আটাব)। অবকাঠামোগত উন্নয়ন হলেও দেশে আশানুরূপ পর্যটক আসছে না। বিমান ভাড়ার সীমা নিয়ন্ত্রণে না থাকায় দেশ থেকে বৈদেশিক মুদ্রা চলে যাচ্ছে। এসব সমাধানে সংশ্লিষ্টদের আন্তরিকতা প্রয়োজন।
বুধবার (১৬ নভেম্বর) রাজধানীর পল্টনে আটাব কার্যালয়ে এভিয়েশন অ্যান্ড ট্যুরিজম জার্নালিস্টস ফোরাম অব বাংলাদেশের (এটিজেএফবি) নবনির্বাচিত কমিটির সঙ্গে মতবিনিময়ে এসব কথা বলেন আটাব নেতারা। এটিজেএফবি’র নব নির্বাচিত কমিটিকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও সংবর্ধনা জানায় আটাব।
আটাব সভাপতি এস এন মঞ্জুর মোর্শেদ বলেন, সরকার কর্তৃক নিবন্ধিত ট্রাভেল এজেন্টদের একমাত্র সংগঠন আটাব। সারা দেশে আটাবের প্রায় ৩৫০০ সদস্য রয়েছে। বাংলাদেশের ভ্রমণ ও পর্যটন খাতকে এগিয়ে নিতে আটাব বাংলাদেশ ট্যুরিজম সেক্টরে এপেক্স বডি হিসেবে দীর্ঘ ৪৫ বছর ধরে নিরলস ভাবে কাজ করে করে যাচ্ছে।
আটাব মহাসচিব আবদুস সালাম আরেফ বলেন, পর্যটন বোর্ড, পর্যটন কর্পোরেশনকে আরও আন্তরিক হতে হবে। বিদেশি এয়ারলাইসগুলো বেশি ভাড়া নিচ্ছে, দেশে থেকে ডলার চলে যাচ্ছে। বিমান ভাড়া সর্বোচ্চ কত হতে পারে এটি নির্ধারিত হতে হবে।
আটাব মহাসচিব জানান, ১ থেকে ৩ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম এক্সপো আয়োজন করেছে আটাব। ইতোমধ্যে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও দেশী এয়ারলাইন্স, হসপিটাল, ট্যুরিজম বোর্ড, ট্রাভেল এজেন্সি, ট্যুর অপারেটর, হোটেল, রিসোর্ট, ক্রুজ লাইনার প্রদর্শক হিসেবে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেছে।
এটিজেএফবি সভাপতি তানজিম আনোয়ার আটাবকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, দেশের পর্যটন ও এভিয়েশন খাতের বিকাশে সাংবাদিকরা সব সময় সচেতন। এটিজেএফবি সব সময় এ খাতের সাংবাদিকদের কর্মশালাসহ দক্ষতা বৃদ্ধিতে কাজ করছে।
আটাবের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম মহাসচিব মো. আবদুল হামিদ, উপ-মহাসচিব গোলাম মাহমুদ ভুইয়া মানিক, অর্থ সচিব আবদুর রাজ্জাক, জনসংযোগ সচিব আতিকুর রহমান এবং সাংস্কৃতিক সচিব মোহাম্মদ তোয়াহা চৌধুরী।









