গতকাল মঙ্গলবার (৭ ডিসেম্বর) রাজধানীর পল্টনে বিএনপি কার্যালয়ের সামনে নেতাকর্মী ও পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার সামনে পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি দিয়েছে বিএনপি-জামায়াতপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন সাদাদল ও ছাত্রলীগ সমাজসেবা বিষয়ক সম্পাদক তানবীর হাসান সৈকত।
বৃহস্পতিবার (৮ ডিসেম্বর) সকাল পৌনে ১২টায় ‘বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে পুলিশের হামলা ও গুলিবর্ষণে একজন নিহত, অনেকে আহত হওয়া, বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের ভেতরে পুলিশের তল্লাশি অভিযানের প্রতিবাদে, কেন্দ্রীয় নেতাসহ ঢাকা ও সারা দেশে গ্রেফতারকৃত নেতাকর্মীদের মুক্তি, আগামী ১০ তারিখ ঢাকা বিভাগীয় গণসমাবেশসহ শান্তিপূর্ণভাবে সভা সমাবেশ করার গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করার দাবিতে’-শীর্ষক ব্যানারে মৌন অবস্থান করেন ঢাবি সাদা দল। এ সময় সাদা দল প্রায় ১৫ মিনিট মৌন অবস্থান করেন।
অবস্থান শেষে সাদা দলের আহ্বায়ক অধ্যাপক লুৎফর রহমান বলেন, ‘আপনারা জানেন, আমরা এখানে কেন দাঁড়িয়েছি। আমরা আশা করছি, সরকার সবার সঙ্গে গণতান্ত্রিক ব্যবহার করবে, সবার গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত হোক এই আমাদের দাবি।’
সাদা দলের আহ্বায়ক অধ্যাপক লুৎফরুর রহমানের সভাপতিত্বে এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক এবিএম ওবায়দুল ইসলাম, অধ্যাপক আবুল কালাম সরকার, সহযোগী অধ্যাপক মিজানুর রহমান, সহযোগী অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, অধ্যাপক যোবায়ের এহসান চৌধুরী, অধ্যাপক শাহ ইমরান, অধ্যাপক দেবাশীষ পাল, অধ্যাপক আখতার হোসেন খান, অধ্যাপক আব্দুস সালামসহ সাদা দলের প্রায় ৩৫ জন শিক্ষক।
এরআগে সকাল ১০টার দিকে ছাত্রলীগ নেতা তানবীর হাসান সৈকত বিএনপি সরকারি বিরোধী আন্দোলনে আগুনে পুড়ে আহত-নিহতদের তথ্যচিত্র প্রদর্শনের ব্যবস্থা করেন অপরাজেয় বাংলার সামনে।
এ বিষয়ে তানভীর হাসান সৈকত বলেন, ‘আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। নৈতিক অবস্থান থেকে আমরা শিক্ষকদের সম্মান জানাই। ২০১৩, ১৪ এবং ১৫ সালে অগ্নিসন্ত্রাসের মাধ্যমে সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষকে জ্বালিয়ে হত্যা করা হয়েছে। অনেককে আহত করা হয়েছে। এই অগ্নিসন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কি আমাদের শিক্ষকদের কথা বলার প্রয়োজন নেই? সে সময় অগ্নিসন্ত্রাসের কারণে যারা নিহত বা পঙ্গু হয়েছেন তাদের প্রতি সহমর্মিতা জানানোর কি কোনও প্রয়োজন আমাদের শিক্ষকদের নেই? শিক্ষকদের বিবেক যেন জাগ্রত হয় সেই আহ্বান জানাই।’
তথ্যচিত্রের বিষয়ে জানতে চাইলে সাদা দলের আহ্বায়ক অধ্যাপক লুৎফর রহমান বলেন, ‘এ বিষয়ে আমাদের কোনও কথা নেই। তারা তাদের আন্দোলন করার অধিকার রাখে, তাদের কাজ তারা করেছে।’









