১০ ডিসেম্বর ঢাকায় বিএনপির গণসমাবেশকে কেন্দ্র করে পথচারীদের মুঠোফোন ঘেটে ছবি, ক্ষুদে বার্তা ও কল তালিকা দেখার মধ্য দিয়ে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘনের অভিযোগ করেছেন পথযাত্রীরা। মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।
রবিবার (১১ নভেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ নিন্দা জানায় সংগঠনটি।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১০ ডিসেম্বর ঢাকায় বিএনপির মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে পুলিশ যাত্রীদের মুঠোফোন ঘেটে ছবি, ক্ষুদে বার্তা ও কল তালিকা দেখে বোঝার চেষ্টা করেছে কোনোভাবে তারা বিএনপির সমাবেশে যোগ দিচ্ছেন কিনা। এছাড়াও নীলক্ষেত এলাকায় স্যার এ এফ রহমান হল শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা পথচারীদের যাকে সন্দেহ হয়েছে থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। সকাল আনুমানিক ১০টায় ও দুপুর ২টায় দুই দফায় ১২ জন পথচারীকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এমনকি কাউকে কাউকে মারধর করারও অভিযোগ উঠেছে। শুধু ছাত্রলীগ নয়, ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মী ও পুলিশের বিরুদ্ধে গাজীপুরসহ কয়েকটি জায়গায় এ ধরণের হয়রানিমূলক আচরণের অভিযোগ উঠেছে।
গোপনীয়তা একজন ব্যক্তির সংবিধান স্বীকৃত অন্যতম একটি মৌলিক অধিকার। বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৩-এ এই অধিকারটি নিশ্চিত করা হয়েছে। মুঠোফোনে মানুষের ব্যক্তিগত ও গুরুত্বপূর্ণ বার্তা, তথ্য বা ছবি থাকতে পারে। যা ঘাটাঘাটি করা একজন ব্যক্তির গোপনীয়তার অধিকার লঙ্ঘন। এছাড়াও একজন ব্যক্তির গোপনীয়তার সঙ্গে তার মর্যাদার সম্পর্ক জড়িত। কারো গোপনীয়তা লঙ্ঘন করে এমন কর্মকাণ্ড সংবিধান ও আইনসংগত নয়। আসক এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে।









