বাংলাদেশের বাসাবাড়িতে গৃহস্থালির কাজ করা কর্মীরা প্রায়ই নির্যাতনের শিকার হন এবং প্রাপ্য মজুরি থেকে বঞ্চিত হন। শ্রমিক হিসেবে স্বীকৃতি না থাকায় আইনগত প্রতিকার পেতে অসুবিধার সম্মুখীন হন তারা। এসব কর্মীদের আইনগত স্বীকৃতি চেয়েছেন শ্রমিক নেতারা।
বৃহস্পতিবার (১৫ ডিসেম্বর) রাজধানীর একটি হোটেলে ওয়ার্কার্স রিসোর্স সেন্টারের এক মিডিয়া ব্রিফিং এ দাবি তোলা হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রেখে ডব্লিআরসি’র ম্যানেজার খন্দকার আবদুস সালাম বলেন, ‘আমরা আইএলও ও জাপান সরকারের সহযোগিতায় ‘কভিড-১৯-এর পরিপ্রেক্ষিতে শোভন কর্ম পরিবেশ ও নারী অধিকার উন্নীতকরণ’ প্রকল্পের আওতায় গৃহকর্মী ও নির্মাণ শ্রমিকদের অধিকার আদায়, প্রশিক্ষণ ও নিরাপদ অভিবাসনের বিষয়ে সচেতনতা তৈরি করবো।’
তিনি বলেন, ‘এ শ্রমিকদের নিরাপদ অভিবাসন বিষয়ে তথ্য, জ্ঞান ও ধারণার অভাব আছে। ফিরে আসা অভিবাসী শ্রমিকদের সমাজের আর্থ-সামাজিক মূলধারায় সম্পৃক্ততার ক্ষেত্রে সহযোগিতার অভাবও রয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘গৃহ শ্রমিকদের শ্রম আইনে স্বীকৃতিসহ বিদ্যমান আইএলও কনভেনশন-৮৭, ৯৮-এর বাস্তবায়ন এবং কনভেনশন ১৮৯ ও ১৯০ অনুস্বাক্ষরের জন্য এডভোকেসি ও ক্যাম্পেইন কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। এলাকাভিত্তিকভাবে তাদের সংগঠিত করা হবে। শোভন কাজ, নারীর অধিকার বাস্তবায়নে সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ ও অন্যান্য কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।’
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রেখে শ্রম অধিদফতরের পরিচালক বেল্লাল হোসেন শেখ বলেন, শ্রমিকদের অধিকার ও ন্যায় বিচার নিশ্চিতে সরকার সব রকম নীতিগত সহযোগিতা করবে।
ডব্লিউআরসির চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসাইনের সভাপতিত্বে ও চায়না রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে ছিলেন প্রকল্পের জাতীয় পরামর্শক ড. মোসলেহ উদ্দিন সাদেক, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মুরসালীন নোমানী, আইএলও’র সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার সাইফ মোহাম্মদ মঈনুল ইসলাম









