রাজধানীর মতিঝিল, শাহবাগ, সবুজবাগ, পল্টন, যাত্রাবাড়ী এবং বংশাল এলাকা থেকে সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী চক্রের মূলহোতাসহ ৩১ জনকে গ্রেফতার করেছে র্যাব। এ সময় ছিনতাইয়ের কাজে ব্যবহৃত দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র্যাব-৩ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল আরিফ মহিউদ্দিন আহমেদ।
তিনি বলেন, র্যাব-৩ এর আভিযানিক দল রাজধানীর মতিঝিল, শাহবাগ, সবুজবাগ, পল্টন, যাত্রাবাড়ী এবং বংশাল থানা এলাকায় ১৫ ডিসেম্বর রাতে অভিযান পরিচালনা করে ছিনতাইকারী চক্রের সদস্য মো. রুবেল (২৬), মো. সোহাগ (১৯), মো. মানিক (৩০), মো. সাইফুল ইসলাম (৩০), সুমন মিয়া (৩০), মো. রাজু বিশ্বাস (২৭), শ্রী দুলাল চন্দ্র শিল (৩২), মো. আসাদুল্লাহ (৪২), মো. শাহাদাৎ হোসেন (২৫), পান্না (২৫), মেহেদি হাসান (২৫), মো. শাকিল (২৭), মো. আসাদুল ওরফে বিটকেল (২২), মো. রনি তালুকদার (১৯), মো. হাফিজুল ইসলাম (১৯), মো. রাসেল (২২), মো. হৃদয় নিরব (২২), মো. শেখ মিলন (২২), মো. রফিকুল ইসলাম (২৯), মো. জুয়েল হাওলাদার (২৬), মো. মুন্না(২২), মো. মাসুদ ওরফে খোরশেদ আলম (২০), মো. ফাহিম (২১), আ. কাদের (২৪), মো. আশরাফ আলী (৩৭), মো. মিলন (২৫), মো. রিয়াজ (৩৬), গৌতম অধিকারী (৩৮), মো. জুয়েল হোসেন (২৮), মো. জাবেদ (৩৮) এবং মো. রবিউল ইসলামকে (২০) গ্রেফতার করা হয়।
র্যাব জানায়, গ্রেফতারের সময় আসামিদের কাছ থেকে তিনটি এন্টিকাটার, ১৪টি ব্লেড, দুইটি ছুরি, চারটি সুইচ গিয়ার, একটি ক্ষুর, একটি কাঁচি, ছয়টি ব্যাটারি, ৩৭টি মোবাইল ফোন এবং নগদ ২৭ হাজার ৭৩ টাকা উদ্ধার করা হয়।
অধিনায়ক আরিফ মহিউদ্দিন আহমেদ জানান, গ্রেফতারকৃত আসামিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, রাজধানীর বাসস্ট্যান্ড, রেল স্টেশন এলাকায় ছিনতাইকারী সদস্যরা ঘোরাফেরা করতে থাকে। তারপর সহজ সরল যাত্রীদের টার্গেট করে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে সর্বস্ব কেড়ে নেয়। এছাড়াও সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারীরা রাজধানীর বিভিন্ন অলি-গলিতে ওঁৎ পেতে থাকে। সুযোগ পাওয়া মাত্রই তারা পথচারী, রিকশা আরোহী, যানজটে থাকা সিএনজি, অটোরিকশার যাত্রীদের ধারালো অস্ত্র প্রদর্শন করে সর্বস্ব লুটে নেয়। সন্ধ্যা হতে ভোর পর্যন্ত তুলনামূলক জনশূন্য রাস্তা, লঞ্চঘাট, বাসস্ট্যান্ড, রেল স্টেশন এলাকায় ছিনতাইকারীরা বেপরোয়া হয়ে ওঠে। তাদের ছিনতাইকাজে বাধা দিলে তারা নিরীহ পথচারীদের প্রাণঘাতী আঘাত করতে দ্বিধা বোধ করেনা। আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।









