কানাডার টরন্টোয় শীতকালীন পুনর্মিলনীর আয়োজন করে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীরা। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি গ্র্যান্ড সিনামন ব্যাঙ্কোয়েট অ্যান্ড কনভেনশন সেন্টারে এ আয়োজন করে ‘জাহাঙ্গীরনগর ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই ইন কানাডা’।
সাবেক শিক্ষার্থী ও পরিবারের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত মিলনমেলায় স্ত্রীসহ উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য অধ্যাপক জসীমউদ্দিন আহমেদ। তিনি ৪র্থ ব্যাচের সাবেক ছাত্র সৈয়দ শামসুল আলমের হাতে সম্মাননা তুলে দেন।
আয়োজক দলের অন্যতম সদস্য সাবেক জাবি শিক্ষক ড. শামসুর রহমান বাশার বলেন, ‘টরন্টোর অনেক পরিচিত ঘরোয়া রেস্টুরেন্টের মালিক শামসুল আলম অ্যালুমনাইসহ কমিউনিটির উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা রাখেন সব সময়। জাবিয়ান হিসেবে আমরা গর্বিত। তাই আমাদের পক্ষ থেকে আলম ভাইকে এ সম্মাননা জানালাম।’
সাবেক দুই জাবি ছাত্র মামুন কায়সারের তত্ত্বাবধানে ও আশরাফ রানার পরিকল্পনায় সাংস্কৃতিক আয়োজনে ছিল নস্টালজিক নব্বই দশকের থিম। সেই সময়ের জনপ্রিয় নায়ক-নায়িকাদের মতো সাজ, অভিনয় ও নাচ-গানে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানের চিত্রায়ণ ও স্মৃতিচারণ করেন অনেকে।
আশরাফ রানা বলেন, সোনালী দশক ৯০ এর গান, নাটক, সিনেমাগুলোর সঙ্গে আমাদের অনেক আবেগ ও অনুভূতি জড়িয়ে রয়েছে। সবাইকে সঙ্গে নিয়ে সেই সময়ের কিছু স্মৃতি রিওয়াইন্ড করতে চেয়েছিলাম। তাই কালচারাল ইভেন্টের পুরো কনটেন্টে আমি ওই সময়টিকেই প্রাধান্য দিয়েছি।
১৪তম ব্যাচের শামিমা নাসরিন মিলি ও তার স্বামী ভিক্টর গোমেজ বাকের ভাই-মুনা সেজে ‘কোথাও কেউ নেই’ নাটকের অংশবিশেষ অভিনয় করেন। আরেক জাবিয়ান দম্পতি ‘বগুড়া ইয়ুথ কয়্যারের’ দেবদাস-পার্বতীর কৌতুক নাটিকা মঞ্চে দেখান।
১২তম ব্যাচের মামুন কায়সার টরন্টোতে সবার কাছে জনপ্রিয় একজন সংগীতশিল্পী। আরেক আয়োজক ২৬ ব্যাচের সোহানা জেরিন তিমা বলেন, এবারের আয়োজনে নস্টালজিক ৯০ দশককে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বেশি। ফটো বুথ থেকে শুরু করে অনুষ্ঠানের সাজসজ্জা ও পোশাক পরকল্পনাসহ সব কিছুতেই। যতটা সম্ভব আমাদের আবেগের ওই দশককে রিপ্রেজেন্ট করার চেষ্টা করেছি আমরা।
সাবেক ছাত্রী আফসানা রুনা বলেন, অনুষ্ঠানে এসে খুবই ভালো লেগেছে। আমি মৌসুমীর মতো সেজেছি। মনে হচ্ছে সেই কৈশরের মতো-‘যেমন খুশি তেমন সাজো’ খেলছি।









