স্বাধীনতা দিবসের কটুক্তি, হলুদ সাংবাদিকতা ও শিশু নিপীড়নের অপরাধে সম্পাদক মতিউর রহমান ও প্রথম আলোর নিবন্ধন বাতিলের দাবিতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে মানববন্ধন করেছে একদল শিক্ষার্থী।
মঙ্গলবার (৪ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার সংলগ্ন রাস্তায় এই মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। সচেতন শিক্ষার্থীদের ব্যানারে অনুষ্ঠিত এই মানববন্ধনে একাত্মতা প্রকাশ করে জাবি শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরাও অংশগ্রহণ করেন।
এ সময় সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন উত্তরণের শিক্ষা ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক অদিতি বলেন, ‘প্রথম আলো বারবার এই দেশ, সরকারকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চেয়েছে। স্বাধীনতাকে নিয়ে কেউ বাজে মন্তব্য করুক ও মিথ্যা প্রচারণা চালাক তা আমরা চাই না। আমরা প্রথম আলো সম্পাদককে গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি।’
উত্তরণের সাধারণ সম্পাদক জাহেদুজ্জামান শাকিল বলেন, ‘দেশ যখন এগিয়ে যাচ্ছে তখনই একদল সাংবাদিক ও স্বাধীনতাবিরোধী চক্র দেশের উন্নয়নকে থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে। এ দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রাকে থামিয়ে দিতে তারা দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। প্রথম আলোর এই সম্পাদক আমাদের প্রিয় নবীকে নিয়েও কটুক্তি করেছেন। আমরা বলতে চাই তিনি কোথায় থেকে এতো শক্তি পান? আমরা জাবি শিক্ষার্থীরা এই অপশক্তিকে রুখে দেবো। আমরা অবিলম্বে তাকে গ্রেফতার ও প্রথম আলোর নিবন্ধন বাতিলের দাবি জানাচ্ছি।’
এ সময় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান লিটন বলেন, ‘প্রথম আলো টাকার বিনিময়ে একটি শিশুর বক্তব্য প্রচার করেছে। ৭১ টিভির একজন সাংবাদিক সেই সত্য উন্মোচন করেছেন। প্রথম আলো অসত্য সংবাদ প্রচার করে এই জাতিকে বিভ্রান্ত করেছে। সাংবাদিকরা জাতির বিবেক। আপনারা গঠনমূলকভাবে মানুষের কথা তুলে ধরবেন সেটা আমরা প্রত্যাশা করি। মতিউর রহমানকে জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে।’
সমাপনী বক্তব্যে শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি আকতারুজ্জামান সোহেল বলেন, ‘আজকে যে দাবিতে শিক্ষার্থীরা দাঁড়িয়েছে তা যৌক্তিক। আমরা চাই গণমাধ্যমের স্বাধীনতা থাকবে। তবে এই স্বাধীনতাকে ব্যবহার করে যারা পাকিস্তানি দালালদের উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে কাজ করে, দেশে থেকে দেশের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করে বেড়ায় তাদের বিরুদ্ধে আমাদের আজকের মানববন্ধন। প্রথম আলো তাদের সংবাদে ছবি দিয়েছে একজনের আর উক্তি দিয়েছে আরেকজনের। কিন্তু ওই উক্তির জাকির এ দেশে আছে কিনা তাও দেখাতে পারেনি।’









