সবজির দাম যেন হাতের নাগালে আসছেই না সাধারণ মানুষের। দাম বেশি হওয়ায় বাজারে কেনাকাটায় হিমশিম খাচ্ছে সবাই। শুক্রবার সবজির দাম অন্যদিনের চেয়ে বেশি থাকে বলেও জানান ক্রেতারা।
শুক্রবার (৭ এপ্রিল) রাজধানীর মিরপুর ১ নম্বরের কাঁচাবাজার সরেজমিনে ঘুরে জানা যায়, বিভিন্ন সবজিসহ মাছ, মাংস ও অন্যান্য নিত্য-পণ্যের মূল্য চড়া।
সবজি বিক্রেতা মো. সাদ্দাম হোসেন বলেন, লম্বা বেগুন ৬০ টাকা, গোল বেগুন ৭০ টাকা। পটল ৬০-১০০ টাকা, গাজর ৫০, মুলা ৫০ টাকা, শসা ৮০ টাকা, ধনেপাতা ১০০ টাকা কেজি, কাঁচা মরিচ ১২০ টাকা কেজি, টমেটো ৩০ টাকা কেজি, সজনে ১০০ টাকা এবং লেবুর হালি ৪০ টাকা।
বাজার করতে আসা মো. রাশেদ বলেন, সবজির মূল্য আসলে আমাদের হাতে নেই, কিছু করারও নেই। তারা যে দামে দিবে আমাদের সেই দামে কিনে খেতে হবে। আবার শুক্রবার অন্যদিনের থেকে দামও বেশি থাকে।
মো. হাবিবুল্লাহ বলেন, বাজারে সব সবজির দাম বেশি। আমি সজনে কিনেছি ১০০ টাকা কেজিতে। এছাড়া আলুর কেজি ২৮-৩০ টাকা, পেঁয়াজ ৩৫-৪০ টাকা, দেশি আদা ১৫০ টাকা আর চায়না আদা ২০০ টাকা, রসুন ১১০- ১৪০ টাকা।
ছোলা ৮৫ টাকা, চিকন মসুর ডাল ১৩০ টাকা, মোটা মসুর ডাল ৯৫ টাকা, চিনি ১১২ টাকা, বেসন ১১০ টাকা।
সেলিম জেনারেল স্টোরের বিক্রেতা মো. সেলিম হোসেন বলেন, পেঁয়াজের দাম আবার বাড়ছে। এখন ৩৫ টাকা কেজিতে কিনে আনলাম, ৪০ টাকা করে বিক্রি তো করতেই হবে।
গরুর মাংস ৭৫০ টাকা, ব্রয়লার মুরগি সাইজ ভেদে ১৮৫-২২০ টাকা কেজি, কক মুরগি ৩৩০ টাকা কেজি, কাতল মাছ ৮০০ টাকা কেজি, রুই মাছ ৫০০ টাকা কেজি, ইলিশ মাছ দেড় কেজি ওজনের ২২০০ টাকা কেজি আর ৭০০ গ্রাম ওজনের ১২০০ টাকা কেজি। নদীর চিংড়ি আকারভেদে ৭০০ থেকে ১০০০ টাকা কেজি।
চিংড়ি মাছ বিক্রেতা সুনীল বলেন, মাছ বেশি ধরা পড়লে দাম কম থাকে। এখন নদীর চিংড়ি কম ধরা পড়তাছে, তাই দাম বেশি।
মাছ কিনতে আসা রোমেল আক্ষেপের সুরে বলেন, মাছের দাম এক মাস আগে যেমন ছিল তেমনি আছে। কোনও দামই কমেনি। কিছুই করার নাই—খেতে তো হবে।









