চাকরি সরকারি করাসহ দুই দফা দাবি জানিয়েছেন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত বেসরকারি কর্মচারীরা। বাংলাদেশের প্রায় ৩৩২টি সরকারি কলেজ ও তিনটি সরকারি মাদ্রাসায় কর্মরত বেসরকারি কর্মচারীরা এ দাবি জানান।
সোমবার (১০ এপ্রিল) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সরকারি কলেজের বেসরকারি কর্মচারী ইউনিয়ন আয়োজিত এক সমাবেশে এসব দাবি জানানো হয়।
সরকারি কলেজের বেসরকারি কর্মচারী ইউনিয়নকেন্দ্রিয় কমিটির সভাপতি মো. দুলাল সরদার বলেন, ‘আমরা দীর্ঘদিন ধরে সরকারি কলেজগুলোতে বেসরকারিভাবে চাকরি করে আসছি। কিন্তু এসব প্রতিষ্ঠানের সরকারি কর্মচারীদের সুযোগ-সুবিধা আমাদের বেসরকারি কর্মচারীদের থেকে অনেক বেশি। আমরা যারা বেসরকারি কর্মচারী আছি তাদের বেতন ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা। যদিও এ সব প্রতিষ্ঠানে সরকারি কর্মচারী থেকে বেসরকারি কর্মচারীর সংখ্যাই বেশি।’
তিনি বলেন, ‘মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর (মাউশি) ২০১৩ ও ২০২০ সালে জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। কিন্তু বেসরকারি কর্মচারীদের কোনও অগ্রাধিকার দেয়নি। সেই বিজ্ঞপ্তিতে সুপ্রিম কোর্টের একটি রিট মামলার নির্দেশনা মোতাবেক বেসরকারি কর্মচারীদের অগ্রাধিকার থাকলেও মাউশি সে নির্দেশ মানেননি। সরকারি কলেজগুলোতে মাত্র ৫ শতাংশ কর্মচরী সরকারিভাবে কর্মরত আছে। বাকি ৯৫ শতাংশ কর্মচারী বেসরকারিভাবে কর্মরত আছে।’
তাদের উত্থাপিত দাবি দুটি হলো, সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত বেসরকারি কর্মচারীদের নিয়োগের তারিখ থেকে চাকরি সরকারি করতে হবে, চাকরি সরকারিকরণের পূর্ব পর্যন্ত সরকারি স্কেল অনুযায়ী বেতনভাতা দিতে হবে।
সমাবেশের সঞ্চালনা করেন সরকারি কলেজের বেসরকারি কর্মচারী ইউনিয়নের ঢাকা মহানগর সভাপতি আলী মোর্তুজার এবং সরকারি কলেজের বেসরকারি কর্মচারী ইউনিয়ন ঢাকা বিভাগের সভাপতি মো. আব্দুর রশিদ।
সমাবেশে আরও ছিলেন সরকারি কলেজের বেসরকারি কর্মচারী ইউনিয়নকেন্দ্রিয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান, মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা অঞ্জনা রানী রায়, ঢাকা বিভাগের সাধারণা সম্পাদক মো. আল আমিন প্রমুখ।









