ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত সহ-সভাপতি মো. এনামুল হক আরমানকে অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় বিচারিক আদালতের দেওয়া জামিন কেন বাতিল করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। মামলার বিবাদীদের এ রুলের জবাব দিতে জলা হয়েছে।
দুদকের আবেদনের শুনানি নিয়ে সোমবার (২ মে) বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি শওকত আড়ী চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আদালতে দুদকের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক।
এর আগে ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে দল-মত নির্বিশেষে বিভিন্ন খাতের অরাজকতা, বিশৃঙ্খলা ও অবৈধ অর্থের বিরুদ্ধে ‘শুদ্ধি অভিযান’ শুরু করে আইন প্রয়োগকারী বিভিন্ন বাহিনী। প্রথমদিকে ক্যাসিনোর বিরুদ্ধে এ অভিযান শুরু হয়।
এরপর একই বছরের ৬ অক্টোবর সবচেয়ে আলোচিত ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি (পরে বহিষ্কৃত) ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট ও তার সহযোগী এনামুল হক আরমানকে কুমিল্লা থেকে গ্রেফতার করে র্যাব।
পরে ১৮ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ফকিরাপুলে ইয়াং ম্যান্স ক্লাবে ক্যাসিনো বিরোধী অভিযান শুরু করে র্যাব। এরপর একে একে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্বনামধন্য ক্লাবগুলোতে র্যাবের ধারাবাহিক অভিযানে বেরিয়ে আসতে থাকে ক্যাসিনোর অন্ধকার জগৎ।
২০১৯ সালের ১২ নভেম্বর মো. এনামুল হক আরমানের বিরুদ্ধে দুই কোটি ৫ লাখ ৪০ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করেন দুদকের উপ-পরিচালক মো. সালাহউদ্দিন।
এই মামলায় চলতি বছরের ১৬ মার্চ বিশেষ জজ আদালত- ৯ তাকে জামিন দেন। সেই জামিনের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিভিশন আবেদন করে দুদক।









