২০১২ সালের ২৭ মে’র আগে প্রতিষ্ঠিত বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণসহ তিন দফা দাবি জানিয়েছেন শিক্ষকরা। বুধবার (১০ মে) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বাংলাদেশ বেসরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির ব্যানারে আয়োজিত মানববন্ধনে তারা এসব দাবি জানান।
তাদের অন্য দুটি দাবি হলো বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে উপবৃত্তি ও টিফিনের ব্যবস্থা করা।
মানববন্ধনে শিক্ষকরা বলেন, শিক্ষা মানুষের মৌলিক অধিকার। সেই শিক্ষাদানের প্রথম ধাপের কাজটা করে থাকেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। কিন্তু সেই শিক্ষকদের অধিকার আদায়ে সারা বছর রাজপথে থাকতে হয়, যা একটি দেশের জন্য মোটেও কাম্য নয়।
তারা বলেন, ২০১৩ সালের ৯ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী ২৬ হাজার ১৯৩টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণের ঘোষণা দেন। যোগ্যতা থাকার পরও ওই তালিকায় ৪ হাজার ১৫৯টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ থেকে বঞ্চিত হয়। ফলে এসব বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা বেতন ভাতা সুবিধা এবং শিক্ষার্থীরা উপবৃত্তি ও টিফিন সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
তারা বলেন, গত ১৮ এপ্রিল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে নতুন করে বিদ্যালয়বিহীন এলাকায় এক হাজার বিদ্যালয় স্থাপনের একটি প্রকল্প প্রস্তাব করা হয়। অথচ ওইসব এলাকায় থাকা ৪ হাজার ১৫৯টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান কার্যক্রম চলমান আছে। পাশাপাশি ওই বিদ্যালয়গুলোর জায়গা-জমি, খাজনা-খারিজ সরকারের নামে হস্তান্তর করা হয়েছে। তাই এক হাজার প্রকল্পের পরিবর্তে ওইসব বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ এবং শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি ও টিফিনের দাবি জানাই।
বাংলাদেশ বেসরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. মামুনুর রশিদ খোকনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আ স ম জাফর ইকবাল ও সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ফিরোজ উদ্দিনের যৌথ সঞ্চালণায় মানববন্ধনে ছিলেন সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান, সহ-সভাপতি শাহনাজ পারভীন, মোহাম্মদ আলী লিটন, প্রচার সম্পাদক নাসির প্রমুখ।









