বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) নিয়মিত শিক্ষক, চিকিৎসক, কর্মকর্তা, নার্স ও কর্মচারীদের জন্য বছরে দুটি ঝুঁকিভাতা চালু করা হয়েছে। বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট সভায় অনুমোদিত হয়েছে। এছাড়া শিক্ষার্থীদের ভাতার (শিক্ষা বৃত্তি) পরিমাণ বাড়ানোর প্রয়োজন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে সিন্ডিকেটে।
সোমবার (২৬ জুন) শহীদ ডা. মিল্টন হলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটর ৯০তম সভায় এই অনুমোদন দেওয়া হয়।
সিন্ডিকেট সভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৩-২০২৪ অর্থ বছরের জন্য ৭৬৭ কোটি ২১ লাখ টাকার বাজেট অনুমোদিত হয়েছে। গত বছর এই বাজেটের পরিমাণ ছিল ৫৭২ কোটি ৫ লাখ টাকা। এবছর বাজেটের আকার বেড়েছে ৩৪ শতাংশ। বাজেটে ঘাটতি পরিমাণ ১৪২ কোটি ৪৭ লাখ টাকা।
এবারের বাজেটে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা খাতে বরাদ্দ বাড়িয়ে ৩২ কোটি ৫০ লাখ টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। গত বছর এর পরিমাণ ছিল ১২ কোটি ৫২ লাখ টাকা। গবেষণার পাশাপাশি প্রশিক্ষণ খাতেও বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে। প্রশিক্ষণ খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৩ কোটি ৭০ লাখ টাকা। বাজেটে চিকিৎসা ও শৈল্য খাতে (এমএসআর) ২৪ কোটি থেকে বৃদ্ধি করে ৪২ কোটিতে উন্নীত করা হয়েছে।
সিন্ডিকেট সভায় বাজেট উপস্থাপন করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান। সভায় বক্তব্য রাখেন ও পরামর্শ দেন এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের সদস্য বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, সংসদ সদস্য অধ্যাপক মো. আব্দুল আজিজ, সংসদ সদস্য বেগম ফরিদা খানম, বিএমডিসির সভাপতি অধ্যাপক ডা মাহমুদ হাসান, বিসিপিএস’র সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ সহিদুল্লা, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. ছয়েফ উদ্দিন আহমদ,, আমন্ত্রিত সদস্য প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ইমিরেটাস অধ্যাপক ডা. এবিএম আব্দুল্লাহ, ইউজিসির অধ্যাপক ডা. সজল কৃষ্ণ ব্যানার্জী, সিন্ডিকেট সদস্য অতিরক্তি সচিব একেএম নুরুন্নবী কবির, অতিরিক্ত সচিব জনাব মো. বেলায়েত হোসেন তালুকদার প্রমুখ।
চিকিৎসা বিজ্ঞানের জন্য অত্যন্ত আবশ্যিক বিষয় হলো এনাটমি, ফিজিওলজিসহ বিভিন্ন বেসিক কোর্স। এই গুরুত্ব অনুধাবন করেই বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রশাসন বেসিক কোর্সগুলোতে আগের তুলনায় ৩৫ শতাংশ বেশি ছাত্রছাত্রী ভর্তির সিদ্ধান্ত নেয় এবং যা এই সিন্ডিকেট সভায় অনুমোদিত হয়েছে।









