মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দেওয়া জাতীয় চার নেতাকে কারাগারে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। এই চার নেতা জীবন দিয়ে প্রমাণ করে গেছেন তারা বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেননি। তাই ৩ নভেম্বর, জেল হত্যা দিবসকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় পালনের ঘোষণা দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাজউদ্দীন আহমদের পুত্র ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ। এর সঙ্গে তিনি আরও দুটি দাবির কথাও উল্লেখ করেন।
রবিবার (২৩ জুলাই) জাতীয় প্রেস ক্লাবের আবদুস সালাম হলে বঙ্গতাজ তাজউদ্দীন আহমদের ৯৮তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত ‘তারুণ্যের প্রেরণায় বঙ্গতাজ তাজউদ্দীন আহমদ: জীবন ও কর্ম’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন তিনি।
সভার শুরুতেই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ১৫ আগস্টের সকল শহীদ, বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদসহ জাতীয় চার নেতা, সকল শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়। তাজউদ্দীন আহমদের বর্ণাঢ্য জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন আলোচকরা।
সভায় সোহেল তাজ বলেন, আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ১৫ আগস্ট সপরিবারে হত্যা করার পর মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব দেওয়া জাতীয় ৪ নেতাকে কারাগারে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। এই ৪ নেতা জীবন দিয়ে প্রমাণ করে গেছেন তারা বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেননি। তাই ৩ নভেম্বর জেল হত্যা দিবসকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় পালনের ঘোষণা দেওয়া দরকার।
দ্বিতীয় দাবির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ১০ এপ্রিলকে ‘প্রজাতন্ত্র দিবস’ ঘোষণা করতে হবে। তৃতীয় দাবি হচ্ছে, যারা মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, সামরিক, বেসামরিক, রাজনৈতিক ও কূটনীতিকসহ সম্মুখ যুদ্ধে শহীদ হয়েছেন তাদের সকলের জীবনী, ইতিহাস পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
পরে সোহেল তাজ বিটিএসএসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন এবং ২৫ সদস্য বিশিষ্ট বিটিএসএস-কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্যদের নাম ঘোষণা করেন। সভাপতি হয়েছেন শরীফা আক্তার ও সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক মাসুম।
আওয়ামী লীগ নেতা ও বিটিএসএস ব্যবস্থাপনা বোর্ডের চেয়ারম্যান এরশাদুর রহমানের সভাপতিত্বে এতে আরও উপস্থিত ছিলেন বিটিএসএসের উপদেষ্টা ডা. খালেদ মোহাম্মদ ইকবাল, গ্রিন লাইফ কলেজ অব নার্সিংয়ের উপাধ্যক্ষ শেখ মো. জহিরুল আলম, ঢাকা মেডিক্যাল কলজ হাসপাতালের নার্সিং অফিসার রাজীব কুমার বিশ্বাস প্রমুখ।









