রাজনৈতিক দল হিসেবে বাংলাদেশ লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টিকে (বিএলডিপি) কেন নিবন্ধন দেওয়া হবে না— জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ সংশ্লিষ্টদের এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
এ সংক্রান্ত রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে সোমবার (১৪ আগস্ট) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি মো. আলী রেজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মো. ইয়ারুল ইসলাম।
এর আগে ১১ এপ্রিল নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রাথমিক যাচাই-বাছাইয়ে নতুন নিবন্ধন চাওয়া ১২টি দল টিকে যায়। এর মধ্যে বাংলাদেশ লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (বিএলডিপি) নামও রয়েছে।
সে সময় ইসি সচিব মো. জাহাংগীর আলম সাংবাদিকদের জানান, দলগুলো যে তথ্য দিয়েছে তা মাঠ পর্যায়ে যাচাই-বাছাই করে প্রতিবেদন দেওয়া হবে। এরপর কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ (আরপিও) এবং রাজনৈতিক দল নিবন্ধন বিধিমালা-২০০৮ অনুযায়ী তিনটি শর্তের যে কোনও একটি শর্ত পূরণ করলে সেই রাজনৈতিক দলটি নিবন্ধন পাওয়ার যোগ্য হিসেবে বিবেচিত হবে। শর্ত তিনটি হলো— ১. বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকে অনুষ্ঠিত যেকোনও সংসদ নির্বাচনের যেকোনও একটিতে দলীয় প্রতীকে একটি আসন পেতে হবে। ২. কোনও সংসদ নির্বাচনে দলীয়ভাবে নির্বাচনে অংশ নিয়ে নির্বাচনি এলাকায় মোট প্রদত্ত ভোটের অন্তত ৫ শতাংশ প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে হবে। ৩. দলের কেন্দ্রীয় কমিটিসহ একটি কেন্দ্রীয় কার্যালয় এবং দেশের অন্তত এক-তৃতীয়াংশ জেলায় ও অন্তত ১০০টি উপজেলায় বা মেট্রোপলিটন থানায় কার্যালয় থাকতে হবে। প্রতিটি উপজেলায় দলের সদস্য হিসাবে ন্যূনতম ২০০ ভোটার তালিকাভুক্ত থাকতে হবে।
তবে শেষ পর্যন্ত নিবন্ধন না দেওয়ায় বিএলডিপির চেয়ারম্যান সাবেক মন্ত্রী এম নাজিম উদ্দীন আল আজাদ হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন।









