কুমিল্লার হোমনায় মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে ইস্ত্রির ছ্যাঁকায় ঝলসে দেওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। বুধবার (২৭ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ উদ্বেগ জানায় রাষ্ট্রীয় সংস্থাটি।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মঙ্গলবার (২৬ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে প্রকাশিত ‘মাদ্রাসা ছাত্রকে ইস্ত্রির ছ্যাঁকায় ঝলসে দিয়ে ৯ দিন লুকিয়ে রাখলেন বড় হুজুর’ শিরোনামে প্রকাশিত খবর জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের নজরে এসেছে। প্রকাশিত সংবাদে উল্লেখ করা হয়, কুমিল্লার হোমনায় এক মাদ্রাসা ছাত্রের শরীরে গরম ইস্ত্রির ছ্যাঁকা দিয়ে ঝলসে দেওয়া হয়েছে। ওই ছাত্রকে ৯ দিন একটি গোপন কক্ষে আটকে রেখে চিকিৎসা দিচ্ছিলেন অভিযুক্ত মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক (বড় হুজুর)। সোমবার ভুক্তভোগীর মা ছেলের জন্য রান্না করা খাবার নিয়ে মাদ্রাসায় গেলে বিষয়টি জানতে পারেন। এ ঘটনায় সোমবার রাতে ভুক্তভোগী ছাত্রের মা হোমনা থানায় ওই মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক ও তিন শিক্ষার্থীসহ পাঁচ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এরপর নির্যাতনে সহযোগিতাকারী এক শিক্ষককে গ্রেফতার করে পুলিশ। তবে প্রধান অভিযুক্ত বড় হুজুর ও তিন শিক্ষার্থী পলাতক রয়েছেন।
কমিশন মনে করে, বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। একজন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেফতারসহ এ বিষয়ে দ্রুত তদন্ত শেষ করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের ব্যবস্থাসহ কমিশনে প্রতিবেদন পাঠাতে বলা হয়েছে কুমিল্লার পুলিশ সুপারকে। এছাড়া ওই মাদ্রাসা নিবন্ধন ছাড়াই রিভিশন বিভাগ, হেফজ বিভাগ, নাজেরা বিভাগ ও নূরানি বিভাগসহ চারটি বিভাগে ছাত্রদের শিক্ষাদান করছে। বিষয়টি তদন্তপূর্বক যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করে কমিশনে প্রতিবেদন পাঠাতে কুমিল্লার জেলা প্রশাসককে বলা হয়েছে।









