প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।
রবিবার (২৯ অক্টোবর) আইন মন্ত্রণালয় থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ নিন্দা জানান তিনি।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত শনিবার (২৮ অক্টোবর) প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের সরকারি বাসভবনে বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাসী হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক।
এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার বিষয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি পদে অধিষ্ঠিত কোনও ব্যক্তি শুধু একজন ব্যক্তি নন, তিনি একটি সাংবিধানিক ইনস্টিটিউশন এবং তিনি বিচার বিভাগের অভিভাবক। তার সরকারি বাসভবনে আক্রমণের অর্থ পুরো বিচার বিভাগের ওপর আক্রমণ এবং আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠাকে বাধাগ্রস্ত করার হুমকি প্রদর্শন। কোনও সভ্য গণতান্ত্রিক দেশের রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনকালে প্রধান বিচারপতির বাসভবনে আক্রমণ ও ভাঙচুর চালানোর ঘটনা নজিরবিহীন।’
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, গত ২৮ অক্টোবর তারিখে ঢাকায় শান্তিপূর্ণ সমাবেশের প্রতিশ্রুতি দিয়েও বিএনপি পূর্ব পরিকল্পিতভাবে নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। এদিন মহাসমাবেশের আড়ালে বিএনপির তাণ্ডবলীলার মাধ্যমে আবারও তাদের সেই পুরনো চেহারা ফুটে উঠেছে। তারা আগের মতোই আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর ঘৃণ্য হামলা চালিয়েছে এবং পুলিশের একজন সদস্যকে বর্বরোচিতভাবে হত্যা করেছে। আমি এই ঘৃণ্য অপরাধের তীব্র নিন্দা জানাই। সেইসঙ্গে বিএনপি-জামায়াতের যেকোনও কর্মসূচির বিষয়ে সকলকে সজাগ থাকার আহ্বান জানাই।’
আইনমন্ত্রী স্পষ্টভাবে বলেন, ‘আগামীতে রাজনৈতিক কর্মসূচির আড়ালে দেশে আর কোনও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে দেওয়া হবে না। জনগণের জানমালের সুরক্ষা ও শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সরকার কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।’









