গার্মেন্টস খাত নিয়ে গুজব ছড়িয়ে কেউ যেন শ্রমিকদের সহিংসতায় উসকে দিতে না পারে, সেই সঙ্গে আবারও কোনও ধরনের সংঘর্ষ কিংবা নাশকতার সৃষ্টি করতে না পারে সে ব্যাপারে তৎপর রয়েছে বলে দাবি করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গার্মেন্টস এলাকাগুলোয় নজরদারির পাশাপাশি সাইবার মনিটরিং জোরদার করার কথা জানানো হয়েছে।
গত কয়েকদিন রাজধানীসহ আশপাশ এলাকায় বিভিন্ন ধরনের গুজব ছড়িয়ে এবং বেতনভাতা বৃদ্ধির দাবিতে চলা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ভাঙচুর-সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। শ্রমিকদের পাশাপাশি অন্য ব্যক্তিরাও বিভিন্ন গার্মেন্টসে হামলা চালায় বলে পুলিশ জানিয়েছে।
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল-মইন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে র্যাব মাঠে থেকে দায়িত্ব পালন করছে। সেই সঙ্গে গার্মেন্টস খাতকে অস্থিতিশীল করে কেউ যেন কোনও ধরনের অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করতে না পারে সে ব্যাপারে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ চলমান রয়েছে। যে কোনও ধরনের তথ্য পেলে সঙ্গে সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানোর জন্য পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। সেই সঙ্গে যে কোনও ধরনের গুজব প্রতিরোধে সাইবার মনিটরিং জোরদার করা হয়েছে।
ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি মাহবুবুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, গার্মেন্টস খাতকে কেন্দ্র করে কেউ যেন অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করে ফয়দা নিতে না পারে সে ব্যাপারে আমরা তৎপর রয়েছি। যখনই কোনও তথ্য পাওয়া যাচ্ছে তখনই সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। হামলা বা সংঘর্ষের সঙ্গে কারা কারা জড়িত সেসব বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
রাজধানীর মিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মো. মহসিন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, রাজধানীর মিরপুর ও পল্লবী এলাকায় গার্মেন্টস শ্রমিকদের সঙ্গে হেলমেট পরে অনেকেই পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ এবং ভাঙচুরে অংশ নিয়েছে। তারা শ্রমিক নয়। তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে কাজ করা হচ্ছে।









