রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে মো. জামাল (১৮) নামে একজন ছুরিকাঘাতে নিহত হয়েছেন। বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে এ ঘটনা ঘটে। সিনিয়র-জুনিয়র দ্বন্দ্বের জেরে এই ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় আমির হোসেন (২৩) নামে সিনিয়র গ্রুপের আরেকজন আহত হয়ে চিকিৎসাধীন আছেন। এছাড়া দুই গ্রুপের পাঁচ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
নিহতের বন্ধু আসাদুল্লাহ সাংবাদিকদের জানান, আমি কোচিংয়ে গিয়েছিলাম। কোচিং শেষ করে কুতুবখালী স্কুলের পাশে (ঘটনাস্থল) যাই। সেখানে জামাল, সজিব, সুমনসহ কয়েক বন্ধু দাঁড়িয়েছিলাম। ওই সময় সিনিয়র গ্রুপের সিফাত ডেকে পাশে নিয়ে যায় জামালকে। কিছু সময় পর সিফাতের চিৎকার শুনে আমরা এগিয়ে যাই। সেখানে মারামারি হয়। পরে আমরা জামালকে উদ্ধার করে রক্তাক্ত অবস্থায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসি। সেখানে চিকিৎসক তাকে রাত সোয়া ৯টার দিকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. বাচ্চু মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, নিহতের মরদেহ ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে। আহত যুবক পুলিশ পাহারায় চিকিৎসাধীন রয়েছে।
এ প্রসঙ্গে ডিএমপির যাত্রবাড়ি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সোহেল রানা বলেন, সিনিয়র-জুনিয়র গ্রুপের মারামারি ঘটনায় পাঁচ জনকে জিজ্ঞেসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। তারা হচ্ছেন—ইমন গাজী, মানিক, আসাদুল্লাহ, মুজাহিদ, জাহিদ হাসান।
নিহত জামালের গ্রামের বাড়ি বরিশালে। বাবা মৃত আবুল কালাম চৌধুরী। বর্তমানে রাজধানীর কাজলা ভাঙ্গা প্রেস এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন ও একটি কারখানায় ওয়েল্ডিংয়ে কাজ করতেন জামাল। দুই বোন এক ভাইয়ের মধ্যে তিনি ছিলেন ছোট।









