রাজধানীতে দুই দিনে ৫৬২টি প্রতিষ্ঠানে পুলিশের অভিযান

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট  
০৫ মার্চ ২০২৪, ২২:১৪আপডেট : ০৫ মার্চ ২০২৪, ২২:১৪

অগ্নিনির্বাপণ নীতিমালা না মানা, অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগে দুই দিনে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার হোটেল-রেস্তোরাঁ ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ৫৬২টি অভিযান চালিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ ডিএমপি।

রবিবার (৩ মার্চ) সন্ধ্যা থেকে সোমবার (৪ মার্চ) রাত পর্যন্ত এসব অভিযান চালানো হয়। ৪৫৫টি হোটেল-রেস্তোরাঁ, ১০৪টি ঝুঁকিপূর্ণ গ্যাস সিলিন্ডার দোকান ও ৩টি কেমিক্যাল গোডাউনে এ অভিযান চালানো হয়।

মঙ্গলবার (৫ মার্চ) ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার কেএন রায় নিয়তি এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ডিএমপির রমনা বিভাগে ১১০টি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালানো হয়। এর মধ্যে হোটেল-রেস্তোরাঁয় ৮৪টি ও ঝুঁকিপূর্ণ গ্যাস সিলিন্ডার রাখার দোকান ২৬টি। এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশন/ মামলা হয়েছে ২৭টি।

লালবাগ বিভাগে ৩৫টি হোটেল-রেস্তোরাঁয় প্রসিকিউশন/ মামলা হয়েছে ৩৪টি।

ওয়ারী বিভাগে ৪১টি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালানো হয়েছে। এর মধ্যে হোটেল-রেস্তোরাঁয় ৩৯টি, ঝুঁকিপূর্ণ গ্যাস সিলিন্ডার রাখার দোকান ১টি ও একটি কেমিক্যাল গোডাউন রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের নামে প্রসিকিউশন/ মামলা হয়েছে ১৫টি।

মতিঝিল বিভাগে ১০৮টি প্রতিষ্ঠানে মধ্যে ১০৩টি হোটেল-রেস্তোরাঁ ও ৫টি ঝুঁকিপূর্ণ গ্যাস সিলিন্ডার রাখার দোকানে অভিযান চালানো হয়। ওইসব প্রতিষ্ঠানের নামে প্রসিকিউশন/ মামলা হয়েছে ২৯টি।

তেজগাঁও এলাকায় অভিযান চালানো হয় ৭৪টি প্রতিষ্ঠানে। এর মধ্যে ৬৪টি হোটেল-রেস্তোরাঁ ও ১০টি ঝুঁকিপূর্ণ গ্যাস সিলিন্ডার রাখার দোকান। এসব প্রতিষ্ঠানকে প্রসিকিউশন/ মামলা দেওয়া হয়েছে ৩১টি।

একইভাবে মিরপুর বিভাগে ৪২টি প্রতিষ্ঠানে অভিযানে ৩৪টি হোটেল-রেস্তোরাঁয়, ৭টি ঝুঁকিপূর্ণ গ্যাস সিলিন্ডার রাখার দোকান ও ১টি কেমিক্যাল গোডাউনের বিরুদ্ধে ২৭টি প্রসিকিউশন/ মামলা দেওয়া হয়েছে।

গুলশান বিভাগে ৩০টি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালানো হয়। এর মধ্যে ২৩টি হোটেল-রেস্তোরাঁ ও ৭টি ঝুঁকিপূর্ণ গ্যাস সিলিন্ডার রাখার দোকান। এতে প্রসিকিউশন/ মামলা হয়েছে ১৮টি।

এছাড়া ডিএমপির উত্তরা বিভাগে ১২২টি প্রতিষ্ঠানের ৭৩টি হোটেল-রেস্তোরাঁ, ৪৮টি ঝুঁকিপূর্ণ গ্যাস সিলিন্ডার রাখার দোকান ও একটি কেমিক্যাল গোডাউনে অভিযান চালানো হয়। এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশন/ মামলা দেওয়া হয়েছে ৪৮টি।

প্রসঙ্গত, গত ২৯ ফেব্রুয়ারি রাতে বেইলি রোডে গ্রিন কোজি কটেজের আগুনে নারী শিশুসহ ৪৬ জন মারা যান। তাদের মধ্যে ৪৪ জনের মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে। বাকি দুই জনের মরদেহ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ মর্গে রাখা হয়েছে।

এরপর রবিবার (৩ মার্চ) রাতে ঢাকার বিভিন্ন এলাকার রেস্টুরেন্টগুলোতে সাঁড়াশি অভিযান শুরু করে পুলিশ। তারই ধারাবাহিকতায় আজ মঙ্গলবার (৫ মার্চ) রাজধানীতে অননুমোদিত রেস্টুরেন্টের বিরুদ্ধে অভিযান চালায় রাজউক ও ডিএসসিসি।

/কেএইচ/আরআইজে/
সম্পর্কিত
কিশোর গ্যাং ধরে তাবলীগে পাঠাবো: পুলিশ সুপার
সেন্টমার্টিনে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে রেস্তোরাঁ নির্মাণ, ব্যবহার হচ্ছে সরকারি মালামাল
কালশী বস্তিতে আগুন: একটি ঝগড়ার জেরে পথে শতাধিক পরিবার
সর্বশেষ খবর
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম