ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (ডিপিডিসি) ব্যবস্থাপক হুজ্জত উল্লাহ ও তার স্ত্রী মাহমুদা খাতুনের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
সোমবার (৮ জুলাই) দুদকের উপপরিচালক সেলিনা আখতার বাদী হয়ে ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১-এ মামলা দুটি করেন। তাদের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
হুজ্জত উল্লাহর বিরুদ্ধে করা এজাহারে বলা হয়, ডিপিডিসির ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) হুজ্জত উল্লাহর সম্পদ বিবরণী চেয়ে নোটিশ জারির পর ২০২১ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি তিনি সম্পদ বিবরণী দাখিল করেন। সম্পদ বিবরণী যাচাই-বাছাই শেষে দেখা যায়, তিনি নিজ নামে স্থাবর ও অস্থাবর খাতে মোট এক কোটি ৯৩ লাখ ৯২ হাজার ৭০৫ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন।
একই সঙ্গে এক কোটি ৯০ লাখ ৬৮ হাজার ৯১ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করে দুর্নীতি দমন কমিশন আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন। হুজ্জত উল্লাহ বর্তমানে ডিপিডিসির এইচআর শাখার ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। তার বাড়ি টাঙ্গাইলের গোপালপুর থানার বেতবাড়ি গ্রামে।
অন্যদিকে হুজ্জত উল্লাহর স্ত্রী মাহমুদা খাতুনের বিরুদ্ধে করা এজাহারে বলা হয়, মাহমুদা খাতুনের সম্পদের হিসাব বিবরণী চাওয়ার পর তিনিও ২০২১ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি দুদকে সম্পদের হিসাব বিবরণী দাখিল করেন। হিসাব বিবরণী যাচাই-বাছাই শেষে দেখা যায়, মাহমুদা খাতুন স্বামী হুজ্জত উল্লাহ সহায়তায় নিজ নামে স্থাবর ও অস্থাবর খাতে মোট এক কোটি ১৬ লাখ ৮৫ হাজার ৬০৪ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন। একই সঙ্গে ৮৯ লাখ ২২ হাজার ৫২৩ টাকার সম্পদের তথ্য দুদকে দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে গোপন করেছেন।
হুজ্জত উল্লাহ ও তার স্ত্রী মাহমুদা খাতুন জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও সম্পদ বিবরণীতে তথ্য গোপন করে দুদক আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন। এ বিষয়ে দুদকের অনুমোদনের পর তাদের বিরুদ্ধে সোমবার (৮ জুলাই) মামলা দুটি করা হয়।









