সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে টানা পাঁচ দিন পর খুলেছে অফিস-আদালত। বুধবার (২৪ জুলাই) চার ঘণ্টার জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে সরকারি-বেসরকারি অফিস। এতে সকাল থেকে একসঙ্গে অনেক মানুষ বের হওয়ায় রাজধানীর কিছু কিছু সড়কে যানজট সৃষ্টি হয়েছে। ভোগান্তি বেড়েছে যাত্রীদের।
সরেজমিনে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় দেখা যায়, সড়কে গণপরিবহন কম। তবে ব্যক্তিগত গাড়ির অভাব নেই। প্রধান প্রধান সড়ক প্রাইভেটকার ও রিকশার দখলে।
মিরপুর রোডের ধানমন্ডি ২৭ নম্বর, সায়েন্স ল্যাব, শাহবাগ, মৎস ভবন, গুলিস্তান, জিরো পয়েন্টে অন্যান্য কর্মদিবসের মতোই যান চলাচল স্বাভাবিক। তবে এসব এলাকার কিছু কিছু যায়গায় যানজট সৃষ্টি হতে দেখা গেছে।
বেলা ১১টার দিকে শাহবাগ ট্রাফিক সিগন্যালে কথা হয় অটোরিকশা চালক রফিকুল ইসলামের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘আমি মোহাম্মদপুর থেকে গাড়ি নিয়ে বের হয়েছি ১০টার দিকে। এখন শাহবাগ পার হতে পারিনি। এক পাশ ফ্রি আছে। শুধু এক পাশে গাড়ি ধীরগতিতে চলছে।’
আবির নামে এক যাত্রী বলেন, ‘সায়েন্স ল্যাব থেকে শাহবাগ যাওয়ার জন্য বের হই। কিন্তু সড়কে যানজট দেখে ফিরে যাচ্ছি। এই যানজটে শাহবাগ গেলে সময়মতো ফেরা কঠিন হয়ে যাবে, তাই ফিরে যাচ্ছি।’
এদিকে কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ঘিরে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সংঘাত-সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ পরিস্থিতিতে গত ১৯ জুলাই রাত থেকে কারফিউ জারি করেছে সরকার, যা এখনও বহাল আছে।
তেজগাঁও জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (ট্র্যাফিক) স্নেহাশিস কুমার দাস বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘অফিস-আদালত খুলে দেওয়ায় আজ সকাল থেকেই সড়কে প্রচুর যানবাহনের চাপ রয়েছে। এছাড়া সেনাবাহিনীর সদস্যরা জায়গায় জায়গায় গাড়ি স্লো করে চেক করার কারণেও কোথাও কোথাও যানবাহনের ধীরগতি দেখা গেছে। সব মিলিয়ে সড়কে যানবাহনের চাপ আছে।’









