বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে এক আইনজীবীর ছুরিকাঘাতে আহত হয়েছেন আরেক আইনজীবী। বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) দুপুর ১টার পর আইনজীবী সমিতি ভবনের (অ্যানেক্স ভবন) ২০০৫ নম্বর কক্ষে এ ঘটনা ঘটে।
ছুরিকাঘাতে আহত ব্যারিস্টার আশরাফুল ইসলাম এই ঘটনার জন্য আইনজীবী মো. কাইয়ুমকে দায়ী করেছেন।
আহত আশরাফ রক্তভেজা শরীর নিয়ে সাংবাদিকদের বলেন, আমি বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে সবচেয়ে বেশি সোচ্ছার ছিলাম, যখন কেউ কথা বলেনি। বিচারপতিদের দুর্নীতি নিয়েও সোচ্চার থেকেছি সব সময়। কিন্তু গাজী কামরুল ইসলাম সজলের (জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সুপ্রিম কোর্ট শাখার সাধারণ সম্পাদক) জুনিয়র কাইয়ুম এসে ছুরি দিয়ে মেরে গেছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আইনজীবী মো. কাইয়ুম। তিনি বলেন, ৮–১০ দিন আগে ব্যারিস্টার আশরাফ আমার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেছিল। আমি মামুন মাহবুবের কাছে নালিশ দিতে গিয়েছিলাম। সেখানে আশরাফসহ ৪–৫ জন দরজা বন্ধ করে আমাকে মারধর করে। খবর পেয়ে কামরুল ইসলাম সজল আমাকে উদ্ধার করে।
এদিকে, হামলার একটি ভিডিও ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। ওই ভিডিওতে দেখা গেছে, হামলার পর আহত আইনজীবী ব্যারিস্টার আশরাফুল ইসলামের মাথার বাম পাশ দিয়ে রক্ত ঝরছে।
প্রত্যক্ষদর্শী আইনজীবী সৈয়দ মামুন মাহবুব বলেন, বেলা ১টার পর কাইয়ুমসহ চার জন আমার কক্ষে এসে ব্যারিস্টার আশরাফকে খুঁজতে থাকে। আমি বলি সে ওয়াশরুমে, বসো আসতেছে। অল্প সময় পর আশরাফ রুমে আসে। আসার পর তার সঙ্গে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে কাইয়ুম সঙ্গে থাকা ছুরি দিয়ে আশরাফকে কয়েকটি আঘাত করে। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। বিষয়টি আমরা প্রধান বিচারপতি ও অ্যাটর্নি জেনারেলকে জানিয়েছি। আমরা দুর্নীতিবাজ বিচারপতিদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করছিলাম। সেটি যাতে না করি, এ জন্যই এই হামলা বলে দাবি করেন তিনি।









