রাজধানীর খিলগাঁও এলাকা থেকে নিখোঁজের তিন দিন পর নড়াইল নদী থেকে এক ব্যক্তির ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে নৌ-পুলিশ। তার নাম মাহফুজুল আলম বিপ্লব (৪৮)।
শনিবার (৩১ আগস্ট) দুপুরে নড়াইল নদীর পাড়ে একটি সাঁকোর নিচ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নিহত মাহফুজুল একটি চায়না প্রজেক্টের সুপারভাইজার পদে কর্মরত ছিলেন।
সত্যতা নিশ্চিত করে খিলগাঁওয়ের রাজাখালী নৌ-পুলিশ ফাড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. মাহবুব আলম বলেন, শনিবার (৩১ আগস্ট) দুপুরে নড়াইল নদীর পাড়ে একটি সাঁকোর নিচ থেকে ভাসমান মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহতের শরীর পচে ফুলে গেছে। তার মাথাসহ কয়েক স্থানে জখম ছিল। আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ময়মনসিংহ জেলার ইশ্বরগঞ্জ উপজেলার মহেশপুর গ্রামের মৃত সামছুল আলমের ছেলে মাহফুজুল আলম বিপ্লব। বর্তমানে খিলগাঁও বনশ্রীর ১ নম্বর রোডের ৩৬ নম্বর বাসায় পরিবারের সঙ্গে থাকতেন। তিন ভাই এক বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন দ্বিতীয়। খিলগাঁও নন্দিপাড়া দাশের কান্দি তার অফিস। চায়না প্রজেক্ট সুপারভাইজার লাইনের কাজ করতেন। তাদের কাজ শেষ হয়ে গেছে ইতোপূর্বে।
নিহতের বড় ভাই মাহাবুবুল আলম বলেন, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর থেকে তাকে পাওয়া যায়নি। রাত ৮টা পর্যন্ত ফোনে রিং হয়েছে, কিন্তু রিসিভ করেনি। তিনি বলেন, আমরা তাকে অনেক জায়গায় খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে গত ৩০ আগস্ট খিলগাঁও থানার সাধারণ ডায়েরি করি। শনিবার থানায় সংবাদ পাই নদী থেকে এক ব্যক্তির ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরে সেখানে গিয়ে মরদেহ দেখে শনাক্ত করি।
তিনি আরও বলেন, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। যে স্থান থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে সেখানে পানিও তেমন নাই। এছাড়া সে সাঁতার জানতো।
নিহতের বড় ভাই বলেন, তবে কে বা কাহারা তাকে হত্যা করেছে সে সম্পর্কে আমরা কিছুই জানতে পারিনি। আমরা আশা করি আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করবে।









