বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ অন্যান্য আসামিদের বিরুদ্ধে নাইকো দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় বাপেক্সের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. আব্দুল বাকীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯ এর বিচারক মো. আলী আহসানের আদালত তার জবানবন্দি গ্রহণ শেষ করেন। এরপর আসামিদের পক্ষে তাকে জেরা শেষ করেন আইনজীবী আমিনুল ইসলাম। আগামী ১০ অক্টোবর পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ ধার্য করেছেন আদালত।
এদিন দুদক চার জন সাক্ষীকে আদালতে হাজির করে। আদালতে তাদের হাজিরাও দেওয়া হয়। তবে আদালত এক জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। বাকিদের জন্য আগামী ১০ অক্টোবর সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ ঠিক করা হয়।
সাক্ষী মো. আব্দুল বাকী গত ১৪ মে এই মামলায় জবানবন্দি দেওয়া শুরু করেন। এরপর ১১ জুনও আংশিক জবানবন্দি দেন।
খালেদা জিয়ার আইনজীবী আব্দুল হান্নান ভূঁইয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, মামলায় মোট সাক্ষী ৭০ জন। এর মধ্যে মামলায় বাদী ও দুই কানাডিয়ানসহ ছয় জনের সাক্ষ্য শেষ হয়েছে।
মামলার অপর আসামিরা হলেন– তৎকালীন মুখ্য সচিব কামাল উদ্দীন সিদ্দিকী, বাপেক্সের সাবেক মহাব্যবস্থাপক মীর ময়নুল হক, নাইকোর দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট কাশেম শরীফ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব খন্দকার শহীদুল ইসলাম, সাবেক সিনিয়র সহকারী সচিব সিএম ইউসুফ হোসাইন, ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুন ও বাগেরহাটের সাবেক সংসদ সদস্য এমএএইচ সেলিম। তাদের মধ্য প্রথম তিন জন পলাতক।
ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, একেএম মোশাররফ হোসেন ও বাপেক্সের সাবেক সচিব মো. শফিউর রহমান তিন জন মারা গেছেন। তাদের মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
কানাডার কোম্পানি নাইকোর সঙ্গে অস্বচ্ছ চুক্তির মাধ্যমে রাষ্ট্রের আর্থিক ক্ষতি ও দুর্নীতির অভিযোগে খালেদা জিয়াসহ পাঁচ জনের বিরুদ্ধে ২০০৭ সালে তেজগাঁও থানায় মামলাটি দায়ের করে দুদক। পরের বছরের ৫ মে ওই মামলায় খালেদা জিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন দুদকের সহকারী পরিচালক এস এম সাহেদুর রহমান। অভিযোগপত্রে প্রায় ১৩ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকার রাষ্ট্রীয় ক্ষতির কথা উল্লেক করা হয়।









