গ্যাসের আগুনে একই পরিবারের শিশুসহ তিন জন দগ্ধের ঘটনায় স্বামী-স্ত্রীর পর তাদের শিশু সন্তান বায়জিদও (৩) মারা গেছে। ফলে পরিবারটির আর কেউ রইল না।
শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন মো. তরিকুল ইসলাম জানান, বৃহস্পতিবার (৩ অক্টোবর) দিবাগত রাত সাড়ে ৯টার দিকে শিশুটি মারা যায়। তার শরীরের ৪৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।
এর আগে গত মঙ্গলবার (১ অক্টেবর) রাতে শিশুটির বাবা মো. টোটন মিয়া (৩৫) এবং বুধবার রাতে শিশুটির মা নিপা বেগম (৩০) বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
উল্লেখ্য, গত শনিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ভোর রাত সাড়ে ৩টার দিকে গ্যাসের চুলার বিস্ফোরণে তারা দগ্ধ হয়েছিলেন।
ওইদিন হাসপাতালে নিয়ে আসা দগ্ধ টোটনের শ্যালক নজরুল ইসলাম ও মামা জাকির হোসেন জানান, ওই বাসায় বেশ কিছুদিন ধরেই গ্যাস লিক হয়ে ছিল। শনিবার ভোর রাতে ম্যাচ জ্বালাতেই সারা ঘরে আগুন ছড়িয়ে পড়ে এতে তারা তিনজন দগ্ধ হয়।
ডা. মো. তরিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, টোটনের শরীরের ৫০ শতাংশ, নিপার ৩২ শতাংশ ও শিশু বায়জিদ ৪৫ শতাংশ দগ্ধ ছিল।
টোটনের বাড়ি কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলায়। তিনি পেশায় কাঁচামাল ব্যবসায়ী ছিলেন। টোটনের স্ত্রী নিপা নরসিংদী রায়পুরা উপজেলার আবুল হোসাইনের মেয়ে।









