ন্যাশনাল ম্যাডিক্যাল কলেজে ড. মাহাবুবুর রহমান মোল্লা কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী অভিজিৎ হাওলাদারের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে সহিংস ঘটনায় তৃতীয় পক্ষের উসকানি ছিল বলে দাবি করেছেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের শিক্ষার্থীরা।
মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) বিকালে কলেজ প্রাঙ্গণে ‘সাধারণ শিক্ষার্থী’ ব্যানারে এক সংবাদ সম্মেলনে কলেজটির শিক্ষার্থীরা এসব কথা বলেন।
কলেজের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ২০২০-২১ বর্ষের শিক্ষার্থী লিখন ইসলাম বলেন, বিগত কয়েকদিন ধরে ঢাকার যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সহিংস ঘটনা ঘটেছে সেখানে আমরা সাধারণ শিক্ষার্থীরা জড়িত নই। তৃতীয় কোনও পক্ষের উসকানিতে এ ধ্বংসযজ্ঞের ঘটনাগুলো ঘটেছে। যারা এ সহিংসতায় ইন্ধন দিয়েছে তাদের গ্রেফতার ও শাস্তির দাবি করছি।
তিনি আরও বলেন, গত ২৪ নভেম্বর আমাদের কলেজে পরীক্ষা চলাকালীন কিছু সংখ্যক অন্য কলেজের শিক্ষার্থী আমাদের কলেজে হামলা করে। এতে নারী শিক্ষার্থীসহ অনেকে আহত হয় এবং কলেজের মধ্যে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট হয়। আমাদের কলেজে হামলার প্রতিবাদে গত সোমবার (২৫ তারিখ) আমরা ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করি। কিন্তু এই বিক্ষোভ মিছিল চলার সময়ে আমাদের মাঝে তৃতীয় কোনও পক্ষ ঢুকে শিক্ষার্থীদের উসকে দিয়ে মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজের দিকে নিয়ে যায় ও মোল্লা কলেজে গিয়ে হামলা করে। আমরা জানিয়ে দিতে চাই, এ হামলার সঙ্গে সোহরাওয়ার্দী কলেজের কোনও সাধারণ শিক্ষার্থী জড়িত নেই।
তৃতীয় পক্ষ কারা?— সাংবাদিকদের এ প্রশ্নে অর্থনীতি বিভাগ ২০২০-২১ বর্ষের শাহরিয়ার ফাহিম বলেন, এই তৃতীয় পক্ষ হলো ইউসিবি (ইউনাইটেড কলেজ অব বাংলাদেশ)। আমরা জানতে পেরেছি, সারাদেশে তাদের প্রায় ৯০টি কলেজে কমিটি রয়েছে। তারা দেশে একটা অরাজকতা সৃষ্টি করতে তাদের সোশাল মিডিয়ার গ্রুপগুলোতে প্রচার চালাচ্ছে। তারা শিক্ষার্থীদের উসকে দিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে এ হামলা চালিয়েছে।
আরও পড়ুন:
অভিজিতের মৃত্যু: যেভাবে সংঘর্ষে জড়ালো ৩৭ কলেজের শিক্ষার্থীরা
রাজধানীর কলেজগুলোতে অস্থিরতা কেন?









