কারাগারে যথাযথ চিকিৎসা হয়নি, আদালতে অভিযোগ নজিবুর রহমানের

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট 
১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ১৩:১৭আপডেট : ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ১৩:১৭

সাবেক প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক চেয়ারম্যান নজিবুর রহমানকে তিন দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। এর আগে রিমান্ড শুনানিতে তিনি অভিযোগ করেন, কারাগারে ১২ দিন ইনফেকশনে ভুগে তার চোখ নষ্ট হয়ে গেছে। দেড় মাস চিকিৎসা হওয়ার কথা, কিন্তু সেটা না করে আবার কারাগারে পাঠানো হয়।

বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শরীফুর রহমানের আদালতে শুনানিকালে তিনি এমন অভিযোগ করেন।

রিমান্ড শুনানিতে তিনি দাবি করেন, ‘২০১৯ সালের ডিসেম্বরে থেকে আমি একজন পেনশনভোগী। এরপর থেকে সরকারের কোনও দায়িত্বে পালন করিনি। আমি চাকরির মেয়াদের বাইরে একদিনও চাকরি করিনি। সরকারের কোনও আনুকূল্য নেইনি। এরপরও আমাকে বিগত সরকারের সঙ্গে জড়িয়ে মামলা দেওয়া হয়েছে।’

উপযুক্ত চিকিৎসার প্রার্থনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাকে রিমান্ড দেওয়া হলে জীবনহানির সংশয় হতে পারে।’

এর আগে আদালতে ৫ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। এরপর রাষ্ট্রপক্ষ যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন। রাষ্ট্রপক্ষের ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী বলেন, দায়িত্বে থাকাকালীন আওয়ামী লীগের লোকজনকে সব জায়গায় পদায়ন করেন। তদন্তকারী কর্মকর্তা তদন্তে তার সঙ্গে এ মামলার সংশ্লিষ্টতা পেয়ে তাকে সন্দিগ্ধ আসামি করেছে। 

এরপর আসামিপক্ষের আইনজীবী বলেন, এ মামলার সঙ্গে নজিবুর রহমানের কোনও সংশ্লিষ্টতা নেই। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে কোনও আমলা সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারেননি। তাদের সবার মতো নজিবুর রহমানও ছিলেন। তিনি অসুস্থ, তার চোখের ড্রেসিং করা হয়েছে। কারাগারে তিনি যথাযথ চিকিৎসা পাননি। এমতাবস্থায় রিমান্ড দেওয়া হলে ওনার সমস্যা আরও বেড়ে যাবে। 

উভয়পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক শরীফুর রহমান তাকে তিন দিনের রিমান্ডে পাঠান। 

/এনএইচ/ইউএস/
সম্পর্কিত
শিশু রামিসা হত্যা মামলাআসামিপক্ষের আইনজীবী নিয়ে সমালোচনা, যা বললেন মূসা কালিমুল্লাহ
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
রামিসা হত্যা: সর্বোচ্চ সাজা চায় রাষ্ট্রপক্ষ, লঘুদণ্ডের দাবি আসামিপক্ষের
সর্বশেষ খবর
হবিগঞ্জে নারীর মুখে এসিড নিক্ষেপ, আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় প্রেরণ
হবিগঞ্জে নারীর মুখে এসিড নিক্ষেপ, আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় প্রেরণ
বগুড়ায় দই বিক্রি করে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা গুনলেন ব্যবসায়ী 
বগুড়ায় দই বিক্রি করে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা গুনলেন ব্যবসায়ী 
৩৮ বছর বাড়ি ফিরে বিপদে জবেদ, স্ত্রী বললেন স্বামী হিসেবে মেনে নেওয়া সম্ভব নয়
৩৮ বছর বাড়ি ফিরে বিপদে জবেদ, স্ত্রী বললেন স্বামী হিসেবে মেনে নেওয়া সম্ভব নয়
বিপর্যয়ের মুখে সুন্দরবন
বিপর্যয়ের মুখে সুন্দরবন
সর্বাধিক পঠিত
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: নিজেকে নির্দোষ দাবি ডলারের
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: নিজেকে নির্দোষ দাবি ডলারের
আপা ডাকায় নয়, বাসি মিষ্টি পাওয়ায় জরিমানা করেছি
সংবাদ সম্মেলনে ইউএনও মুনমুন নাহার আশাআপা ডাকায় নয়, বাসি মিষ্টি পাওয়ায় জরিমানা করেছি