বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) কেবিন ব্লকের চারতলায় ব্যতিক্রমধর্মী এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। রবিবার (১২ জানুয়ারি) অনেকটা পিকনিকের আদলে এই আয়োজন করে বিএসএমএমইউ কর্তৃপক্ষ।
বিএসএমএমইউতে চিকিৎসাধীন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আহত রোগীরাও এক হয়েছিলেন একই ধরণের ডিজাইন ও কালারের পাঞ্জাবী পরে। মূলত রোগীরা যাতে একটু মানসিকভাবে স্বস্তিতে থাকেন এবং একটু ভালো সময় কাটাতে পারেন সে জন্যই এমন আয়োজন বলে জানায় বিএসএমএমইউ।
এই বিশেষ ধরণের আয়োজনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আহত রোগীদের সঙ্গে মধ্যাহ্ন ভোজে মিলিত হয়েছিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা) অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান ও বিএসএমএমইউ কর্তৃপক্ষ।
ব্যতিক্রমী এই আয়োজনে অংশ নেন বিএসএমএমইউর ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. মো. শাহিনুল আলম। আরও উপস্থিত ছিলেন— উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কালাম আজাদ, উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলদার, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতার, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. মো. নজরুল ইসলাম, প্রক্টর ডা. শেখ ফরহাদ, পরিচালক (হাসপাতাল, অতিরিক্ত দায়িত্ব) ডা. হাসনাত আহসান সুমন, অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার ডা. মো. দেলোয়ার হোসেন টিটো, অতিরিক্ত পরিচালক (সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল) ডা. মো. শহিদুল হাসান, দন্তরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. সাখায়াৎ হোসেন, উপাচার্য একান্ত সচিব ডা. মো. রুহুল কুদ্দুস বিপ্লব প্রমুখ।
উল্লেখ্য, এর আগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আহত রোগীদের মাঝে দাবা, লুডু, কেরামবোর্ডসহ বিভিন্ন খেলাধুলার সামগ্রী বিতরণ করেছিল বিএসএমএমইউ প্রশাসন। বিএসএমএমইউতে চিকিৎসাধীন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার গণঅভ্যূত্থানে আহত রোগীরা যাতে একটু বিনোদনের মাঝে থেকে মেন্টাল ট্রমা হতে কিছুটা হলেও মুক্ত থাকতে পারে সে জন্যই ওই উদ্যোগ নেওয়া হয়। বর্তমানে কেবিন ব্লকে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যূত্থানে আহতদের মধ্যে মোট ২৮ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।









