সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশের খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্তভাবে অনুমোদন পাওয়ায় তা বিচার প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনতে ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
শুক্রবার (১৭ জানুয়ারি) সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের ২৫তম প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই দেশের বিচার বিভাগের মানোন্নয়নে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করেন। তারই ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালের ২১ সেপ্টেম্বর তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের ইনার কোর্ট ইয়ার্ডে আইন উপদেষ্টা, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারপতিরা, অ্যাটর্নি জেনারেল এবং দেশের জেলা আদালতগুলোর বিচারকদের সম্মুখে বিচার বিভাগ আধুনিকায়নের রোডম্যাপ ঘোষণা করেন। রোডম্যাপে অন্যান্য বিষয়ের সাথে উচ্চ আদালতের বিচারক নিয়োগের জন্য একটি স্বাধীন জুডিসিয়াল অ্যাপয়েন্টমেন্ট কাউন্সিল গঠন করার বিষয়ে তিনি বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়নের বিষয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
পাশাপাশি ২০২৪ সালের ২৮ অক্টোবর বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট বিশ্বের বিভিন্ন দেশের উচ্চ আদালতের বিচারক নিয়োগ সংক্রান্ত আইন, বিধি-বিধান, উচ্চ আদালতের সিদ্ধান্ত, প্রথাসহ আনুষঙ্গিক বিষয়াদি সম্পর্কে বিষদ গবেষণা পরিচালনাপূর্বক একটি প্রস্তাব আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে পাঠায়। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল (বৃহস্পতিবার) উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে ‘সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ, ২০২৫’ এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্তভাবে অনুমোদিত হয়। খুব শিগগিরই লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের রুটিন ভেটিং সাপেক্ষে অধ্যাদেশটির খসড়া চূড়ান্ত হবে মর্মে আশা করা যাচ্ছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
‘প্রধান বিচারপতি ঘোষিত বিচার বিভাগ সংস্কার রোডম্যাপের এরূপ পর্যায়ক্রমিক বাস্তবায়ন দেশে বিচার প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনয়ন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা যায়।’









