দূষণবিরোধী অভিযানে গত ছয় মাসে সারা দেশে আড়াই লাখ কেজির বেশি নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ এবং প্রায় ২৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করেছে পরিবেশ অধিদফতর। অভিযানে মোট ২ হাজার ৮৪৬টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
শুক্রবার (১১ জুলাই) সরকারের এক তথ্য বিবরণীতে এসব তথ্য জানানো হয়।
এতে জানানো হয়, বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে যানবাহনের অতিমাত্রায় ধোঁয়া নির্গমন, অবৈধ ইটভাটা, স্টিল মিল, ঝুঁকিপূর্ণ বর্জ্য নির্গমনকারী শিল্প, সীসা-ব্যাটারী রি-সাইক্লিং কারখানা, জলাশয় ভরাট, খোলা জায়গায় নির্মাণসামগ্রী সংরক্ষণ, টায়ার পাইরোলাইসিস ও চারকোল কারখানার বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হয়েছে।
অভিযানে ৪৮৩টি ইটভাটার চিমনি ভেঙে কার্যক্রম বন্ধ করা হয়। ২১৬টি ইটভাটার কার্যক্রম বন্ধে নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ১৩২টি ইটভাটার কাঁচা ইট ধ্বংস করা হয়েছে। ৯১টি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। এ ছাড়া দুজনকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ছয়টি কারখানার সীসা গলানোর ৮ ট্রাক সরঞ্জাম জব্দ করে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
নিষিদ্ধ পলিথিন উৎপাদন, বিপণন ও সরবরাহ রোধে গত বছরের ৩ নভেম্বর থেকে চলতি বছরের ১০ জুলাই পর্যন্ত পরিচালিত ৪৭৭টি ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ৯০৪টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৬৭ লাখ ৪০ হাজার ৪০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং জব্দ করা হয়েছে প্রায় ২ লাখ ৪৫ হাজার ৭০৭ কেজি পলিথিন।
শব্দদূষণ রোধে ১০ জুলাই ঢাকা ও কিশোরগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ পরিচালনা করে ৬টি মামলায় ৬ হাজার ৫০০ টাকা এবং পৃথক একটি মামলায় ১৩ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। একইসঙ্গে ২৭ দশমিক ৪ কেজি পলিথিন জব্দ করা হয়।
এছাড়া নারায়ণগঞ্জ ও পাবনায় পরিচালিত দুটি অভিযানে দুটি প্রতিষ্ঠানের সেবা সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। পরিবেশ সংরক্ষণে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও জোরদারভাবে চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছে পরিবেশ অধিদফতর।









