ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থী এস এম শাহরিয়ার আলম সাম্য হত্যা মামলায় গ্রেফতার তিন আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদের রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (২৮ জুলাই) বিকালে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারাহ ফারজানা হকের আদালত এই রিমান্ডের আদেশ দেন।
রিমান্ডে যাওয়া আসামিরা হলেন— মেহেদী হাসান(২৫), মো. রিপন (২০) ও মো. হৃদয় ইসলাম (২৪)। আসামি মেহেদী ও হৃদয়ের দুই দিন এবং রিপনের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে।
এর আগে, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির পুলিশ পরিদর্শক মো. আখতার মোর্শেদ আসামিদের আদালতে হাজির করে প্রত্যেকের চার দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন।
রিমান্ড আবেদন বলা হয়, আসামিদের সঠিক নাম-ঠিকানা উদঘাটিত না হলে জামিন পেয়ে চিরতরে পালিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মামলাটি ন্যায় বিচারে বিঘ্ন ঘটবে। আসামিরা এজাহারে বর্ননায় ঘটনার সঙ্গে সরাসরি জড়িত বলে প্রাথমিক তদন্তে প্রমানিত হয়েছে। আসামিরা অভ্যাসগত অপরাধী। তাদেরসঠিক নাম, ঠিকানা ও পিসি/পিআর যাচাইয়ের জন্য পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন।
আসামিদের পক্ষের আইনজীবী রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিনের আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষে অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মুহাম্মদ শামছুদ্দোহা সুমন রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত তাদের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ১৩ মে রাত ১১টার ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ভেতর দিয়ে মোটরসাইকেল চালিয়ে আসার সময় ছুরিকাঘাতে আহত হন শাহরিয়ার আলম সাম্য (২৫)। রাত ১২টার দিকে রক্তাক্ত অবস্থায় বন্ধুরা সাম্যকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে এলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় ১৪ মে সকালে নিহতের বড় ভাই শরীফুল ইসলাম শাহবাগ থানায় ১০ থেকে ১২ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।









