আঞ্জুমানে রহমানিয়া মইনীয়া মাইজভাণ্ডারীয়া দরবার শরীফ ও বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির চেয়ারম্যান ড. সৈয়দ সাইফুদ্দিন আহমদ মাইজভাণ্ডারী বলেছেন, ‘বর্তমান প্রেক্ষাপটে সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই। কারণ মহানবী (সা.) সম্প্রীতির বাণী প্রতিষ্ঠা করে গেছেন। তিনি মানব জাতির জন্য রহমত স্বরূপ। সব সময় মানবতার কল্যাণে কাজ করে গেছেন। সব ধর্মের মানুষকে সম্মান দিয়েছেন। তাই অন্য ধর্মকে সম্মানিত করে আমরা আরও ধন্য হবো।’
শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আয়োজিত শান্তি সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. সৈয়দ সাইফুদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বর্তমানে মানুষের মধ্যে হিংসা-বিদ্বেষ বেড়ে গেছে। তবে যাদের মধ্যে কোরআন সন্নাহের তাসাউফ থাকবে, তারা কখনও জ্বালাও-পোড়াও করতে পারেন না। আমরা ঈদে মিলাদুন্নবীর মাধ্যমে শান্তির বার্তা দিতে চাই। কারণ এটি ঈমানের মূল বাতিঘর।’
তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘কিছু মানুষ দেশে ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি করছে। তারা নারকীয় কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের স্থিতিশীলতা বিনষ্ট করতে চায়। সরকারকে বলবো, এসব অপশক্তিকে আরও শক্ত হাতে মোকাবিলা করতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘আরেকটি পক্ষ বিদআত বিদআত করে ইসলামের মৌলিক বিষয়গুলোকে বিতর্কিত করতে চায়। তবে তাদের অপপ্রচার অতিক্রম করেই আমরা ইসলামের তমদ্দুন তাহজিবের পক্ষে আমাদের সংগ্রাম অব্যাহত রাখবো।’
তিনি একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ ও ২৪ এর জুলাই আন্দোলনের শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন। এছাড়াও ভক্তদের ন্যায়ের পথে চলতে ও দুর্নীতিমুক্ত জীবন গঠনের তাগিদ দেন। তিনি রাষ্ট্রীয়ভাবে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) ঘোষণা ও সারাদেশে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে সহযোগিতা করায় সরকারকে ধন্যবাদ জানান।
আরও বক্তব্য রাখেন কবি ও লেখক ফরহাদ মজহার, ইসলামী বক্তা মুফতি গিয়াসউদ্দিন আত্ব-তাহেরী ও আঞ্জুমানে মইনিয়া মাজভাণ্ডারীয়া দরবার শরিফের মহাসচিব শাহ মোহাম্মদ আলমগীর খানসহহ দেশের বিশিষ্ট ইসলামী আলোচক ও বিভিন্ন দরবারের প্রতিনিধিরা।
এর আগে সকাল সাড়ে ১০টায় কয়েক হাজার ভক্ত-অনুরাগীদের নিয়ে জুশনে জুলুসে নেতৃত্ব দেন ড. সৈয়দ সাইফুদ্দিন আহমদ আল মাইজভাণ্ডারী।ভক্ত-অনুরাগীদের নিয়ে জুশনে জুলুসে নেতৃত্ব দেন ড. সৈয়দ সাইফুদ্দিন আহমদ আল মাইজভাণ্ডারী।









