‘সাংবিধানিক রীতিনীতির ভুল প্রয়োগে তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি বাতিল হয়’

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
২১ অক্টোবর ২০২৫, ১৪:৪৫আপডেট : ২১ অক্টোবর ২০২৫, ১৪:৪৫

‘সাংবিধানিক রীতিনীতির ভুল প্রয়োগের কারণেই তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি বাতিল করেছেন বিচারপতি খায়রুল হকের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ। এর মাধ্যমে গণতন্ত্রকে হত্যা করা হয়েছে। সেই রায়ে দেশের বাস্তবতা বিবেচনা করা হয়নি। যার কারণে তিনটি জাতীয় নির্বাচন হয়েছে একতরফা। এক হাজার মানুষকে জীবন দিতে হয়েছে। আশা করি শুনানির মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরে আসবে।’

এসব কথা বলেছেন সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ড. শরিফ ভূঁইয়া। তিনি জানান এ মামলার রিভিউ শুনানি বুধবারের (২২ অক্টোবর) মধ্যে শেষ হতে পারে।

মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি বাতিল করে দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে রিভিউ আবেদনের প্রথম দিনের শুনানি শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট কারিশমা জাহানসহ অন্যান্য আইনজীবীরা।

ড. শরিফ ভূঁইয়া জানান, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যেহেতু বিশেষ সাংবিধানিক আদেশে গঠন হয়েছে, তাই আগামী সংসদ নির্বাচন হবে এ সরকারের অধীনে। আর পরবর্তী সংসদ নির্বাচন করবে তত্ত্বাবধায়ক সরকার। কারণ আইন অনুযায়ী সংসদ ভেঙে দেওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

ড. শরিফ বলেন, ‘ত্রয়োদশ সংশোধনীতে আওয়ামী লীগ ও বিএনপিসহ সব দলের সম্মতি ছিল। বিশেষজ্ঞ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা এর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এর ভিত্তিতেই আদালত এই আইন পাস হয়। অথচ বিগত দিনে এ ব্যাপারে কোনও ধরনের ব্যাখ্যা না দিয়েই এক ধরনের বায়বীয় আদেশে এ সরকার পদ্ধতি বাতিল করা হয়েছে। সাড়ে ৭০০ পৃষ্ঠার এ রায় রায় ছিল অপ্রয়োজনীয় ও অপচয়। আমরা মনে করি এটি ছিল দেশের সামগ্রিক পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর।’

তিনি বলেন, ‘বিচারপতি খায়রুল হক বলেছিলেন, অনির্বাচিত সরকার সাংবিধানিক নয়, তাই বাতিল করা হয়েছে। অথচ বিগত সরকারের অধীনে অনির্বাচিত অনেক উপদেষ্টা ছিলেন। যারা মন্ত্রী পদমর্যাদা থেকেও বেশি প্রভাব খাটিয়েছেন। অপরদিকে নির্বাচিত সরকারের অধীনে বিগত ১৪, ১৮ ও ২৪ সালের নির্বাচন ছিল প্রশ্নবিদ্ধ। সেই সময় বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ছিল না। গুম-খুন ছিল স্বাভাবিক ঘটনা। দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ থাকলে এমনটি হতো না।’

/এমকে/এমএইচআর/
সম্পর্কিত
হত্যা মামলায় গ্রেফতার সাবেক এমপি মুজিবুর রহমান কারাগারে
মোহাম্মদপুরে অস্ত্র ঠেকিয়ে ছিনতাই: দুই আসামি রিমান্ডে
মিরপুরের সেই বৃদ্ধার সঙ্গে মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়েছে কিনা, তদন্ত চেয়ে রিট
সর্বশেষ খবর
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
বাসায় ফিরে বিএনপি সরকারকে ধন্যবাদ জানালেন আ.লীগের আইভী
বাসায় ফিরে বিএনপি সরকারকে ধন্যবাদ জানালেন আ.লীগের আইভী
বিদ্যুতের দাম বাড়ায় শিল্প ও জ্বালানি খাতে উৎপাদন ব্যয় বাড়বে
বিদ্যুতের দাম বাড়ায় শিল্প ও জ্বালানি খাতে উৎপাদন ব্যয় বাড়বে
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম