হাদি হত্যাকাণ্ড: জড়িতদের গ্রেফতারের দাবিতে ইনকিলাব মঞ্চের বিক্ষোভ মিছিল

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট  
২২ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬:১২ আপডেট : ২২ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬:৩৮

শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করছে ইনকিলাব মঞ্চ।

সোমবার (২২ ডিসেম্বর) বিকাল ৩টা ২০ মিনিটে শাহবাগের জাতীয় জাদুঘরের সামনে থেকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার অভিমুখে মিছিলটি শুরু হয়। মিছিল শেষে শহীদ মিনারে বিক্ষোভ সমাবেশ করার কথা রয়েছে। মিছিলে ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মী ছাড়াও ছাত্র-জনতা অংশ নিয়েছেন। মিছিল থেকে তারা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিচ্ছেন। 

এর আগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে ইনকিলাব মঞ্চের সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের বলেন, শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যার বিচার আগামী নির্বাচনের আগেই করতে হবে। এই বিচার ছাড়া কোনও নির্বাচন নয়।

মিছিল শেষে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও এ সময় ঘোষণা দেন জাবের।

সংবাদ সম্মেলনে আবদুল্লাহ আল জাবের আরও বলেন, “ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ ওসমান হাদি হত্যার বিচারের জন্য ২৪ ঘণ্টার মধ্যে একটি বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে হবে। এই হত্যার ঘটনা তদন্তের স্বার্থে প্রয়োজনে এফবিআই বা স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডের মতো আন্তর্জাতিক সংস্থার সহায়তা নিতে হবে।”

উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর দুপুরে রাজধানীর বিজয়নগর পানির ট্যাংকির সামনে রিকশায় করে যাওয়ার সময় ওসমান হাদিকে গুলি করা হয়। মোটরসাইকেলে আসা দুজন ঘাতক তাকে খুব কাছ থেকে গুলি করে পালিয়ে যায়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় দ্রুত তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। পরে তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। এরপর সেখানে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) তার চিকিৎসা চলে। উন্নত চিকিৎসার জন্য ১৫ ডিসেম্বর এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে হাদিকে সিঙ্গাপুর নিয়ে যাওয়া হয়েছিল; সেখানেই ১৮ ডিসেম্বর তার মৃত্যু হয়। ২০ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় জানাজা শেষে তাকে কবি নজরুল ইসলামের সমাধি প্রাঙ্গণে সমাহিত করা হয়।

/এসএনএস/এম/
সম্পর্কিত
ফেসবুকে হুমকি, রাতে বাড়ির দরজা ভেঙে যুবককে কুপিয়ে হত্যা
৩১ দিনেই তদন্ত শেষ, অপ্রতিম হত্যায় চার আসামির মধ্যে দুইজন কিশোর
মায়ের সামনে মেয়েকে গুলি করে হত্যা: কারা এই ‘আশিক বাহিনী’
সর্বশেষ খবর
সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার মোকাবিলায় সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ
সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার মোকাবিলায় সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ
ফ্রান্সে বর্ণবাদী হামলা, ইউরোপজুড়ে কি বাড়ছে ইসলামবিদ্বেষ?
কী, কেন, কীভাবে ফ্রান্সে বর্ণবাদী হামলা, ইউরোপজুড়ে কি বাড়ছে ইসলামবিদ্বেষ?
এশিয়া কাপ রাইজিং স্টার্সে কঠিন গ্রুপে বাংলাদেশ
এশিয়া কাপ রাইজিং স্টার্সে কঠিন গ্রুপে বাংলাদেশ
পোস্ট দেওয়ার ৬ মিনিট আগেও এসিল্যান্ড আমার বাসায় ছিলেন, কেন এমন করলেন?
পোস্ট দেওয়ার ৬ মিনিট আগেও এসিল্যান্ড আমার বাসায় ছিলেন, কেন এমন করলেন?
সর্বাধিক পঠিত
সাগরকন্যার সৌন্দর্যে মুগ্ধ দুই মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী, ঘুরলেন ভ্যানে চড়ে
সাগরকন্যার সৌন্দর্যে মুগ্ধ দুই মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী, ঘুরলেন ভ্যানে চড়ে
‘আমার মৃত্যুর জন্য দায়ী ইউএনও’ ফেসবুকে সহকারী কমিশনারের পোস্ট
‘আমার মৃত্যুর জন্য দায়ী ইউএনও’ ফেসবুকে সহকারী কমিশনারের পোস্ট
পূজার ছুটি শেষে ফিরে দেখেন বাসায় রাখা অর্ধকোটি টাকা আর ৮ ভরি স্বর্ণালঙ্কার নেই
পূজার ছুটি শেষে ফিরে দেখেন বাসায় রাখা অর্ধকোটি টাকা আর ৮ ভরি স্বর্ণালঙ্কার নেই
‘কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের সঙ্গে জামায়াতের আঁতাত, তথ্যপ্রমাণ সামনে এনেছে বিএনপি’
‘কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের সঙ্গে জামায়াতের আঁতাত, তথ্যপ্রমাণ সামনে এনেছে বিএনপি’
যাত্রীহীন নৌপথ, পেশা ছেড়ে বিকল্প আয়ের পথ খুঁজছেন ট্রলার মালিক-চালকরা
যাত্রীহীন নৌপথ, পেশা ছেড়ে বিকল্প আয়ের পথ খুঁজছেন ট্রলার মালিক-চালকরা