সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জানাজা উপলক্ষে ৫০ প্লাটুন আনসার ও টিডিপি মোতায়েন করা হয়েছে।
বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুর ২টায় সংসদ ভবন এলাকায় ও মানিক মিয়া এভিনিউতে খালেদা জিয়ার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।
জানাজা উপলক্ষে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পূর্বপরিকল্পিত ও সমন্বিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পুলিশের পাশাপাশি এপিবিএন, র্যাব, বিজিবি ও সেনাবাহিনী মোতায়েন রয়েছে। সার্বিক নিরাপত্তার ১০ হাজারেরও বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন রয়েছে।
এছাড়া নিরাপত্তার অংশ হিসেবে আনসার ও গ্রামপ্রতিরক্ষা বাহিনীর বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিটের ১ হাজার ৫০০ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর উপপরিচালক ও গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. আশিকউজ্জামান বলেন, নিরাপত্তা দায়িত্বে ৩০০ জন আনসার ব্যাটালিয়ন সদস্য, ১ হাজার জন অঙ্গীভূত আনসার এবং ২০০ জন নগর প্রতিরক্ষা দল (টিডিপি) সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। তারা জানাজাস্থল, আশপাশের সড়ক, প্রবেশ ও বহির্গমন পথ এবং গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে দায়িত্ব পালন করছেন। যাতে জনসাধারণ নির্বিঘ্নে ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতায় অংশগ্রহণ করতে পারেন।
জানাজা শেষে বেলা সাড়ে ৩টা দিকে খালেদা জিয়াকে তার স্বামী প্রয়াত রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে দাফন করা হবে।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মার যান রাজনীতিতে ‘আপসহীন নেত্রী’ হিসেবে পরিচিত বেগম খালেদা জিয়া। দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসারত অবস্থায় দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসনের এই প্রয়াণে দেশের রাজনীতিতে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যু শুধু একটি রাজনৈতিক অধ্যায়ের সমাপ্তি নয়, বরং একটি যুগের অবসান।
গণতন্ত্র, জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও জনগণের অধিকার রক্ষার সংগ্রামে তিনি ছিলেন দৃঢ় ও আপসহীন এক নেত্রী। এই রাজনীতিকের চলে যাওয়ায় রাজনীতির ময়দান হারালো এক শক্তিশালী ও প্রভাবশালী কণ্ঠস্বর।









