রাজধানীর মুগদা হাসপাতালের গেটের বাইরে থেকে তিন বছরের শিশুকে অপহরণের মামলায় অটোরিকশাচালক চান মিয়া এবং তার বাবা নূর মোহাম্মদ আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহবুবুর রহমানের আদালতে এই দু’জনের জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। পরে দু’জনকেসহ চান মিয়ার মা চান মালা এবং ছোট ভাই জাকিরের স্ত্রী কুলসুমকে কারাগারে পাঠানো হয়।
এদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মুগদা থানার এসআই নাজমুল আলম চার আসামিকে আদালতে হাজির করেন। এদের মধ্যে চান মিয়া এবং নূর মোহাম্মদ স্বেচ্ছায় জবানবন্দি দিতে সম্মত হওয়ায় তা রেকর্ডের আবেদন করেন তিনি। এছাড়া
চান মালা ও কুলসুমকে কারাগারে আটকে রাখার আবেদন করেন।
আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহবুবুর রহমান বাবা-ছেলের জবানবন্দি রেকর্ড করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই কাজী জাকির হোসেন এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে গাইবান্ধার পলাশবাড়ি থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওই চারজনকে গ্রেফতার করে র্যাব। ওই তাদের কাছ থেকে অপহৃত শিশু হিসান রহমানকে উদ্ধার করা হয়। আর শুক্রবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে উত্তর মান্ডার মাহিমের গ্যারেজ থেকে চান মিয়ার ছোটভাই জাকিরকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
গত বুধবার সকাল ১১টার দিকে ছেলেকে নিয়ে মুগদা হাসপাতালে যান সুমাইয়া আক্তার। ডাক্তার দেখানো শেষে দুপুর ১টার দিকে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিয়ে হাসপাতাল প্রাঙ্গণ থেকে মেইন গেটের সামনের রাস্তায় যান। সেখানে ছেলে পানি চাইলে পাশেই দোকানে পানি কিনতে যান সুমাইয়া। ছেলেকে বসিয়ে রাখেন রিকশাতেই। পানি নিয়ে ফিরে এসে দেখেন ছেলেসহ রিকশাটি উধাও। খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে শিশুটির মা মুগদা থানায় মামলা করেন।








