তরুণদের সুরক্ষায় ই-সিগারেট নিষিদ্ধের ধারা বহাল রাখার আহ্বান

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
০১ এপ্রিল ২০২৬, ১৪:৩২আপডেট : ০১ এপ্রিল ২০২৬, ১৪:৩২

তামাক নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৫ থেকে ই-সিগারেট এবং বিক্রয়স্থলে (পয়েন্ট অব সেল) তামাকজাত দ্রব্য প্রদর্শন নিষিদ্ধের ধারা বাদ দেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্তে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় তামাকবিরোধী সংগঠনগুলো। তারা নিষিদ্ধের এ ধারা বহাল রাখার আহ্বান জানান।

গবেষণায় দেখা গেছে, ই-সিগারেটসহ নতুন ধরনের তামাকজাত পণ্য বা ইমার্জিং টোব্যাকো প্রোডাক্ট জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এগুলো তরুণদের মধ্যে নিকোটিন আসক্তির “গেটওয়ে” হিসেবে কাজ করে। একইভাবে, বিক্রয়স্থলে তামাকপণ্য প্রদর্শন শিশু ও কিশোরদের তামাক ব্যবহারে প্রলুব্ধ করে।

বিজ্ঞপ্তির তথ্য
বুধবার (১ এপ্রিল) বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান প্রজ্ঞা থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

তামাকবিরোধী সংগঠনগুলোর মতে, এ গুরুত্বপূর্ণ দুটি ধারা অধ্যাদেশ থেকে বাদ দেওয়া হলে তামাক নিয়ন্ত্রণে দেশের অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হবে এবং তামাক কোম্পানিগুলোর আগ্রাসী বিপণন আরও বাড়বে। এটি তামাক নিয়ন্ত্রণ শক্তিশালী করার বিষয়ে বিএনপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির সঙ্গেও সাংঘর্ষিক।

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও অর্থনীতিবিদ ড. হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, “ধারা দুটি অবিলম্বে পুনরায় যুক্ত করার জন্য আমরা সরকার ও সংসদকে আহ্বান জানাচ্ছি। জনস্বাস্থ্য ও তরুণদের নিকোটিন আসক্তি থেকে সুরক্ষাকে সংকীর্ণ মুনাফার ঊর্ধ্বে রাখতে হবে।”

উল্লেখ্য, বাংলাদেশে তামাক ব্যবহারের কারণে বছরে প্রায় ২ লাখ মানুষ তামাকজনিত কারণে মৃত্যুবরণ করে। স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত ক্ষতি প্রায় ৮৭ হাজার কোটি টাকা। এই ক্ষতি তামাক খাতের রাজস্বের চেয়ে দ্বিগুণের বেশি। বর্তমানে ৩৫ দশমিক ৩ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ তামাক ব্যবহার করছেন।

সংগঠনগুলো জানিয়েছে, এ পরিস্থিতিতে শক্তিশালী তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন কার্যকর না হলে জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি বাড়বে ও অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব আরও বৃদ্ধি পাবে।

বিবৃতি প্রদানকারী সংগঠনগুলো হলো, অ্যান্টি টোব্যাকো মিডিয়া অ্যালায়েন্স (আত্মা), ঢাকা আহছানিয়া মিশন, ডরপ, নারী মৈত্রী, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন, পিপিআরসি, তাবিনাজ এবং প্রজ্ঞা।

 

 

 /এসআই/এমএএল/
সম্পর্কিত
তামাকের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ এখন সময়ের দাবি: প্রধানমন্ত্রী
তরুণদের রক্ষায় তামাক পণ্যের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের আহ্বান প্রজ্ঞার
তামাকপণ্যে কর বাড়াতে ২৬ সাংসদের ডিও লেটার
সর্বশেষ খবর
বিশ্ব অর্থনীতির সামনে দুই কঠিন পথ, নেপথ্যে ইরান যুদ্ধ ও এআই সংকট
বিশ্ব অর্থনীতির সামনে দুই কঠিন পথ, নেপথ্যে ইরান যুদ্ধ ও এআই সংকট
এবার পল্লবীতে মিললো আরেক নারীর গলিত মরদেহ
এবার পল্লবীতে মিললো আরেক নারীর গলিত মরদেহ
নিখোঁজ ব্যবসায়ীর হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার
নিখোঁজ ব্যবসায়ীর হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার
ওপেনএআই’র নতুন বাজি ‘কোডেক্স’
ওপেনএআই’র নতুন বাজি ‘কোডেক্স’
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের