ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা প্রার্থীদের নির্বাচনি ব্যয়ের হিসাব দেওয়ার সময় এক মাস বাড়িয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। প্রার্থীদের আবেদনের প্রেক্ষিতে এই সময় বাড়ানো হয়েছে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনের সভাকক্ষে ১১তম কমিশন সভা শেষে এই তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
তিনি বলেন, “গেজেট প্রকাশের এক মাসের মধ্যে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করাদের নির্বাচনি ব্যয়ের হিসাব ইসিতে জমা দেওয়ার কথা ছিল। তবে, এই সময়সীমা বাড়াতে কয়েকজন প্রার্থী আবেদন করেছেন। এর জেরে কমিশন আরও এক মাস সময় বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যাতে তারা তাদের ব্যয়ের রিটার্ন জমা দিতে পারেন।”
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এ বলা আছে, ফল প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে নির্বাচনি ব্যয়ের হিসাব ইসিতে জমা দিতে হবে, সময়সীমা অতিক্রান্ত হওয়ার পরও বাড়ানো হলো, ইসি কী ব্যবস্থা নেবে এই প্রশ্নের জবাবে আখতার আহমেদ বলেন, “আমরা আরও সময়সীমা বাড়িয়েছি। এই সময়সীমা অতিক্রান্ত হোক, তারপর সিদ্ধান্ত হবে আমরা কী করবো।”
আরপিও অনুযায়ী, ১০ হাজার টাকা জরিমানা দিয়ে এই মাস সময় শেষ হলে আরও ১৫দিন সময় বাড়িয়ে নেওয়া যাবে। তবে, এরপরও না দিলে প্রার্থিতা বাতিল কিংবা দুই থেকে সাত বছরের জেল এবং অর্থদণ্ড দেওয়ার বিধান রয়েছে।
৯ এপ্রিল অনুষ্ঠেয় শেরপুর-৩ আসনে উপনির্বাচন এবং বগুড়া-৬ আসনের সাধারণ নির্বাচন প্রসঙ্গে ইসির সিনিয়র সচিব বলেন, “এই দুই আসনে স্থানীয় আইন শৃঙ্খলা বাহিনী, প্রিজাইডিং অফিসারদের সঙ্গে ইসির আলোচনা হয়েছে। এই দুই আসনের নির্বাচন নিয়ে দুশ্চিন্তা হওয়ার মতো কোনও পরিস্থিতি নেই। পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর রয়েছে, তারা সার্বিক পরিস্থিতি মনিটর করছেন। আমরা স্পষ্ট করে বলে আসছি, এই দুই নির্বাচন ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে কোনও অংশে কম গুরুত্বপূর্ণ না।”
চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪ আসনের ফলাফল স্থগিত থাকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এই বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্তের জন্য আমরা এখনও ফলাফল সরকারিভাবে প্রকাশ করিনি। আদালত যেভাবে নির্দেশনা দেবেন, আমরা সেভাবে এই দুই আসনের ফলাফল ঘোষণা করবো।”









