মুখে মাস্ক না পরলে পণ্য বিক্রি না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি। রবিবার (১ নভেম্বর) থেকে দেশের সব দোকান, মার্কেট ও বিক্রয়কেন্দ্রে মাস্কহীন ক্রেতা-বিক্রেতাদের প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। এ কার্যক্রম আগামী বছরের ২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে।
রবিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সমিতির সভাপতি মো. হেলাল উদ্দিন এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। তিন দফা দাবিতে সমিতি এই সংবাদ সম্মেলন করে। সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির মহাসচিব মো. জহিরুল হক ভূঁইয়া, বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির সভাপতি খন্দকার রুহুল আমিনসহ ঢাকা ও ঢাকার বাইরের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে হেলাল উদ্দিন বলেন, ‘বিশ্বে করোনা মহামারির দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হয়েছে। বাংলাদেশে শীত মৌসুম আসন্ন। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সবাইকে মাস্ক পরার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সামনে শীতে করোনার সংক্রমণ বাড়তে পারে, এমন আশঙ্কায় সরকার মাস্ক নাই সেবা নাই নীতি বাস্তবায়ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির সভাপতি খন্দকার রুহুল আমিন বলেন, ‘এখন থেকে হোটেল রেস্তোরাঁগুলোতেও একই ঘোষণা দেওয়া হলো। মাস্ক নেই, খাবার নেই।’
লিখিত বক্তব্যে ব্যবসায়ীরা আরও যেসব দাবি জানিয়েছেন সেগুলো হচ্ছে, দোকান মালিকদের জন্য ৫০ লাখ টাকা সীমা পর্যন্ত টার্নওভার ভ্যাটের আওতামুক্ত রাখা, অতিক্ষুদ্র ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের প্রণোদনা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে ট্রেড লাইসেন্স বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা।








