সজল মিয়া প্রথমে পরিচয় দিয়েছিলেন একটি ফার্মাসিউটিক্যালসের কর্মকর্তা। পরবর্তীতে র্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে জানান, তিনি একজন মাস্কের সাপ্লায়ার। কোনও একটি কোম্পানিতে মাস্ক সাপ্লাই দিয়ে ফিরছিলেন। মিথ্যা তথ্য দেওয়ায় তাকে ২০০ টাকা জরিমানা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত। সেই সঙ্গে সতর্ক করে দেওয়া হয় তাকে।
বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) শ্যামলী বাস স্ট্যান্ড এলাকায় বিকালে র্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত চলাকালীন সময়ে নানা ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য পায় ভ্রাম্যমাণ আদালত।
আনিসুর রহমান আদাবর থেকে কাজ শেষ করে মিরপুর ১০ নম্বরের দিকে যাচ্ছিলেন। শ্যামলী বাস স্ট্যান্ড এলাকা পার হওয়ার সময় র্যাবের তল্লাশিতে পড়েন তিনি। এসময় তার মোটরসাইকেলে আরও ২ জন আরোহী ছিলেন। সেজন্য দুজনকেই মামলায় পড়তে হয়। ২০০ টাকা করে জরিমানা করা হয় তাদের।
কল্যাণপুরে মাস্ক ডেলিভারি দিয়ে ফিরছিলেন সাইফুল ইসলাম। তিনিও পারেন র্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে। তিনি বলেন, তিনি একটি ডেলিভারি সার্ভিস এর ডেলিভারি ম্যান। তারপরও তাকে ২০০ টাকা জরিমানা পরতে হয়।
তাদের মতো অনেকেই নানা অজুহাতে বাইরে বের হওয়ার কারণে মামলা দায়ের করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।
এছাড়া, ভিসা আনতে আমেরিকান এম্বেসিতে গিয়েছিলেন মা ও ছেলে। র্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে তাদের কাগজপত্র পর্যালোচনা করা হয়। পরবর্তীতে কাগজপত্র এবং তথ্য সঠিক পাওয়ায় তাদেরকে যেতে দেওয়া হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান এর বিষয়ে র্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাজহারুল ইসলাম বলেন, সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে বিনা কারণে যারা রাস্তায় বের হয়েছেন তাদের আমরা জরিমানা করেছি। ৬ জনকে সাড়ে ৭ হাজার জরিমানা করা হয়েছে।









