লকডাউন শিথিলের প্রথম দিনেই সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে ছিল যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়। পরিবার-পরিজনের সাথে ঈদ করার জন্য রাজধানী ছেড়ে বাড়ি যাচ্ছে হাজারো মানুষ। তাদের মধ্যে চাঁদপুর, চরভৈরব, লক্ষ্মীপুর, শৌলা, মুলাদি, দেউলা, নাজিরপুর, লালমোহন, ভোলা ও বরিশালগামী যাত্রীদের ভিড় ছিল বেশি। স্বাস্থ্যবিধি মেনে লঞ্চে যাতায়াতের নির্দেশনা থাকলেও অনেকেই তোয়াক্কা করছেন না। লঞ্চে যাত্রী সংখ্যা যাই হোক ৬০ শতাংশ বেশি ভাড়া দিয়েই যাতায়াত করতে হচ্ছে যাত্রীদের।
রাত ১২টা থেকে লঞ্চ চলাচলের কথা থাকলেও সকাল ৬টা থেকে শুরু হয়েছে লঞ্চ চলাচল। রাত ১২টার আগে ঘাটে লঞ্চ আনার অনুমতি না থাকার কারণে রাতে লঞ্চ চলাচল করতে পারেনি। তাই ভোর থেকেই লঞ্চ টার্মিনালে ঘরমুখী মানুষের ভিড় ছিল। তুহিন নামের বরিশালগামী এক যাত্রী বলেন, লকডাউনের কারণে চাকরি হারিয়ে এতদিন ঢাকার ফুটপাতে চা বিক্রি করেছি। বাড়িও যেতে পারিনি অনেক দিন হয়েছে। তাই রাতেই চলে এসেছি ঘাটে। কিন্তু রাতে লঞ্চ চলেনি। এখন বাড়ি যাচ্ছি পরিবারের সাথে ঈদ করতে। কাজ পেলেই আবার ঢাকায় ফিরবো।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহণ কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) স্বাস্থ্যবিধি মেনে লঞ্চে চলাচলের নির্দেশনা দিলেও যাত্রীদের মাঝে স্বাস্থ্যবিধি মানার ব্যাপার অনীহা দেখা গেছে। এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিএ-এর যুগ্ম পরিচালক মো. জয়নাল আবেদীন বলেন, স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে আমরা কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছি। এখানে যাত্রীদের মাস্ক পরার ব্যাপারে বারবার সতর্ক করা হচ্ছে। এছাড়া যাত্রীদের স্বাস্থ্য সচেতনতায় আইন শৃঙ্খলা বাহিনী, নৌ-পুলিশ, বিআইডব্লিউটিএ-র কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ উপস্থিত আছেন।









