লকডাউন শেষ হওয়ার দ্বিতীয় দিনে রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে ছিল যানবাহনের চাপ। দেখা গেছে সাধারণ মানুষের ভিড়। করোনা সংক্রমণের পাশাপাশি মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ার বিষয়টি যেনো কারও কাছে পাত্তা পাচ্ছে না, সব জায়গায় উপেক্ষিত থাকছে স্বাস্থ্যবিধি।
বৃহস্পতিবার (১২ আগস্ট ) রাজধানীর ফার্মগেট, বিজয় সরণি, আসাদগেট, শ্যামলী, গাবতলী, মিরপুর, ধানমন্ডি, কলাবাগানসহ বিভিন্ন সড়ক ঘুরে দেখা গেছে, ব্যক্তিগত গাড়ি ছাড়াও সড়কে গণপরিবহনের চাপ। কিছুক্ষণ পর পরই সৃষ্টি হচ্ছে যানজটের। এছাড়া সড়কের বিভিন্ন জায়গায় বাসের জন্য অপেক্ষা করতে দেখা গেছে যাত্রীদের।
শ্যামলী থেকে মতিঝিল যাওয়ার জন্য বাসের জন্য অপেক্ষা করছিলেন ইমন। তিনি বলেন, বাসের জন্য প্রায় আধাঘণ্টার বেশি সময় ধরে অপেক্ষা করছি, কোন বাসেই উঠতে পারছি না, এছাড়াও অনেক বাসে দাঁড়িয়ে যাত্রী নিতে দেখেছি। যদিও শুনেছি অর্ধেক বাস চলবে, সেজন্যই কি গণপরিবহনের সংকট বুঝতে পারছি না।
একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত তৌহিদ যাচ্ছিলেন উত্তরায়। কল্যাণপুর থেকে গণপরিবহনের অপেক্ষায় দীর্ঘক্ষণ থাকার পর না পেয়ে সিএনজি নিয়ে উত্তরার উদ্দেশে রওনা হন। এর আগে তার সাথে কথা হলে তিনি বলেন, অফিস খুলেছে তাই অফিসে তো যেতে হবে। কি আর বলবো ভাই, সমস্যা সব আমাদের মতো সাধারণ জনগণকেই পোহাতে হয়।
পুলিশের তেজগাঁও ট্রাফিক বিভাগের উপ-কমিশনার সাহেদ আল মাসুদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, অস্থায়ী গণপরিবহন ও ব্যক্তিগত পরিবহনের চাপ আছে। সড়কের বিভিন্ন জায়গায় যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। আমরা সেসব বিষয় নিয়ে রোদ-বৃষ্টির মধ্যেও কাজ করে যাচ্ছি। ট্রাফিক সিস্টেম যতটুকু সম্ভব মানানোর কাজ করে যাচ্ছি। আগামী সপ্তাহ থেকে যানজট আরও বাড়ার শঙ্কার কথা বলেন তিনি। এখনো যারা রাজধানীতে আসেননি আগামী সপ্তাহে অফিস শুরু হলে তারা যোগ দেবেন। সে সময় রাস্তায় চাপ আরেকটু বাড়বে।
মিরপুর ট্রাফিক বিভাগের পুলিশ সার্জেন্ট বিকাসুজ্জামান রনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, মিরপুর এলাকায় মেট্রোরেলের কাজ চলমান থাকায় একদিকে যেমন রাস্তার অংশ ছোট হয়ে গেছে, অন্যদিকে গণপরিবহনসহ বিভিন্ন পরিবহনের চাপ থাকায় মিরপুর-শেওড়াপাড়া-আগারগাঁও-মিরপুর ১১ এই সড়কে গণপরিবহনের চাপ বেশি রয়েছে। তবে গণপরিবহনের চাপসহ ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা চলমান রাখতে আমরা মাঠে কাজ করে যাচ্ছি।









