ঈদের ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছেন রাজধানীবাসী। ছুটি শেষে গাড়ি নিয়ে রাস্তায় নেমেছেন গণপরিবহন শ্রমিকরাও। তবে ছুটির পর আজ মঙ্গলবার (১০ মে) চতুর্থ কার্যদিবসেও রাস্তায় কর্মমুখী মানুষের চাপ খুব একটা লক্ষ করা যাচ্ছে না। তাই গণপরিবহনগুলোতে যাত্রীর চাপ কম।
মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, বাস যাত্রীদের সংখ্যা এখনও কম। বাসগুলো রাস্তায় নামছে ধীরে ধীরে। গণপরিবহন কর্মীরা বলছেন, ঈদের পর ভাংতি মাস। খুব একটা প্রয়োজন না হলে কেউ বের হচ্ছে না। তাছাড়া গণপরিবহনের অনেক শ্রমিক এখনও কাজে ফেরেনি। তাই রাস্তায় বাসও নামছে কম।
আজিমপুর টু মিরপুর রুটের বাস মিরপুর লিংক-এর সহকারী স্বপন বলেন, ‘দুই দিন আগেই গ্রামের বাড়ি থেকে ফিরেছি। গতকাল বাস নিয়ে নামছিলাম আমি আর ওস্তাদ। বাজার ভালো ছিল না, তাই তিন ট্রিপ দিয়েই বাস বন্ধ করে দিই। আজকেও তেমন যাত্রী দেখা যাচ্ছে না।’
মিরপুরে কথা হয় সভার-চন্দ্রা রুটের রাজধানী বাসের প্রথম কাউন্টারে সিরিয়াল নিয়ন্ত্রণের দ্বায়িত্বে থাকা রাসেলের সঙ্গে। তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমাদের ৪০টা বাসের মধ্যে এখন পর্যন্ত ২০টা চলছে। কর্মীদের অনেকেই এখন কাজে ফেরেনি। আজকের মধ্যে আরও কিছু ড্রাইভার ফিরলে আরও কিছু বাস নামবে। কিছু কিছু বাস ঈদের সময় ঢাকার বাইরে ট্রিপ নিয়ে গেছে। ওইগুলোও ফিরছে।
বসিলা থেকে উত্তরা-আব্দুল্লাহপুর রুটের প্রজাপতি বাসের ওয়েবিলের দ্বায়িত্বে থাকা সজিব বলেন, ‘প্রজাপতির ১০০-১২০টা বাস চলতো, এখন ৬০-৭০টা চলছে। ধীরে ধীরে বাড়বে। যাত্রীও কম পাওয়া যাচ্ছে।’
শিকড় পরিবহনের সহকারী সাগর ঈদের পর আজই প্রথম কাজে যোগদান করেছেন। তিনি বলেন, ‘ঈদের আগের দিনই বাড়িতে চলে যাই। গতকাল ফিরে আজই কাজে জয়েন করলাম। এখনও কিছু বলতে পারছি না। তবে তুলনামূলক যাত্রী কম দেখা যাচ্ছে।’
ঢাকার কালশী, মিরপুর-১০, আগারগাঁও, ফার্মগেট, শাহাবাগসহ বিভিন্ন স্পটে ঘুরে দেখা যায়, ঈদের ছুটি শেষে অফিস শুরু হলেও বাসগুলোতে ছিল না যাত্রীর চাপ। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে এখনও শিক্ষার্থীদের আনাগনা না বাড়ায় এবং বেশিরভাগ মার্কেটের দোকানগুলো এখনও না খোলায় যাত্রীদের চাপ দেখা যাচ্ছে না বলে মন্তব্য করছেন কেউ কেউ।









