এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে এবং ডেঙ্গু রোগের বিস্তার রোধে পরিচালিত কার্যক্রম ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রধান কার্যালয় নগর ভবনে স্থাপিত নিয়ন্ত্রণ কক্ষ হতে সরাসরি তদারকি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।
বুধবার (২০ জুলাই) দুপুরে নিউমার্কেট-গাউসিয়া ফুটওভার ব্রিজ পরিদর্শন শেষে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে মেয়র এ কথা জানান।
তাপস বলেন, ‘এডিস মশার প্রজনন এবং বিস্তারের মৌসুম এটা। এ জন্য অগ্রিম নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খুলেছি। নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে সরেজমিন সরাসরি তদারকি করছি। যে জায়গার তথ্য (এডিস মশার প্রজননস্থল সম্পর্কে) পাচ্ছি, ডেঙ্গু রোগীর ঠিকানা পাচ্ছি; সে জায়গায় গিয়ে প্রথমে উৎস স্থলগুলো ধ্বংস করছি। সকালে লার্ভিসাইডিং করছি এবং বিকালে পুরো ৩০০ গজ এলাকা ফগিং করে দিচ্ছি, যাতে করে এডিস মশার বিস্তারকে প্রতিরোধ করতে পারি।’
গতবারের তুলনায় এ বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা অর্ধেকের চেয়েও কম উল্লেখ করে ডিএসসিসি মেয়র বলেন, ‘আপনারা জেনে খুশি হবেন যে, গত বছরের এই সময় যে সংখ্যক ডেঙ্গু রোগী পাওয়া গিয়েছিল, এবার তার অর্ধেকেরও নিচে ডেঙ্গু রোগী পাওয়া যাচ্ছে। সুতরাং এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে প্রত্যেকটা ওয়ার্ডে দিনব্যাপী যে কার্যক্রম, আমরা সে কার্যক্রমের সুফল পাওয়া শুরু করেছি। এখন পর্যন্ত এডিস মশার বিস্তার নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম হয়েছি।’
এর আগে ডিএসসিসি মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট সংলগ্ন রাস্তা পরিদর্শন, বকশিবাজার জামে মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং যাত্রাবাড়ী কাঁচাবাজার আড়ত পরিদর্শন করেন। যাত্রাবাড়ী কাঁচাবাজার আড়তক পরিদর্শনের সময় স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য কাজী মনিরুল ইসলাম মনু, শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের প্রধান সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন, করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদ আহাম্মদ, সচিব আকরামুজ্জামান, প্রধান প্রকৌশলী সালেহ আহম্মেদ, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা রাসেল সাবরিন, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা আরিফুল হক, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী কাজী বোরহান উদ্দিন, সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডসমূহের কাউন্সিলর ও মহিলা কাউন্সিলবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।









