২০১৮ সালে ঢাকা মহানগর তেজগাঁও থানা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি শহীদ জাকির হোসেন মিলনের মৃত্যুর ঘটনায় পুলিশের ছয় সদস্যের বিরুদ্ধে মামলার আবেদনের পরবর্তী শুনানির জন্য ৩ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত। এ মামলায় বর্তমান রমনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এবং ঘটনাকালীন সময়ে শাহবাগ থানায় দায়িত্বরত ওসি মো. আবুল হাসানও রয়েছেন।
সোমবার (১৭ অক্টোবর) মামলাটি শুনানির দিন ধার্য ছিল। কিন্ত ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আসাদুজ্জামান ছুটিতে থাকায় ভারপ্রাপ্ত বিচারক সৈয়দা হাফসা ঝুমা শুনানির জন্য ৩ নভেম্বর দিন ধার্য করেন।
এর আগে গত ১২ অক্টোবর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আসাদুজ্জামানের আদালতে নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইনে মামলার আবেদন করেন মিলনের চাচা বি এম অলি উল্লাহ। আদালতে এ মামলার আবেদনের ওপর আংশিক শুনানি হয়। পরবর্তী শুনানির জন্য আদালত আজ (১৭ অক্টোবর) দিন ধার্য করেন।
মামলার আবেদনে অপর আসামিরা হলেন— ঘটনাকালীন সময়ে দায়িত্বরত রমনা মডেল থানার ওসি কাজী মাইনুল ইসলাম, ঘটনাকালীন সময়ে দায়িত্বরত শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সুজন কুমার রায়, এসআই সাইদুর রহমান মুন্সি, এসআই অমল কৃষ্ণ ও এসআই শাহরিয়ার রেজা। মামলার আবেদনে অজ্ঞাত আরও চার-পাঁচ পুলিশ সদস্যেকে আসামি করার আবেদন করা হয়েছে।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত ২০১৮ সালের ৬ মার্চ বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার ও সাজা দেওয়ার প্রতিবাদে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সমনে মানবন্ধন শেষে ছাত্রদলে শান্তিপূর্ণ মিছিল মৎস্যভবনের কাছে পৌঁছালে ভুক্তভোগী ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সভাপতি জাকির হোসেন মিলন ও তেজগাঁও থানা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতিসহ কয়েকজনকে রমনা থানা পুলিশ গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে নির্যাতন করে। পরে শাহবাগ থানায় নিয়ে সেখানেও নির্যাতন করা হয়। এরপর ৮ মার্চ চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে রিমান্ড আবেদন করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য শাহবাগ থানায় নিয়ে আবারও নির্যাতন করে গুরুত্বর অবস্থায় আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়লে জেল কর্তৃপক্ষ মিলনকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।









