রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে গ্যাস সিলিন্ডারের চুলার আগুনে পুড়ে দগ্ধ শিশু সুবর্ণা আক্তারের (৬) মৃত্যু হয়েছে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে মারা যায় শিশুটি।
সত্যতা নিশ্চিত করেন, কামরাঙ্গীরচর থানার উপ-পরিদর্শক এসআই নুসরাত জাহান নুপুর।
তিনি বলেন, ‘গত সোমবার দুপুরে কামরাঙ্গীরচর মুসলিমবাগ ভাড়া বাসায় গ্যাসের চুলার আগুনে অসাবধানতাবশত শিশুটির জামায় আগুন ধরে দগ্ধ হয়। পরে স্বজনরা চিকিৎসার জন্য ওই দিনই তাকে ঢামেকের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করে। আজ দুপুরে তার মৃত্যু হয়।’
চিকিৎসকের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, সুবর্ণার শরীরের ৩৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল।
এসআই আরও বলেন, পরিবারের লিখিত আবেদনের প্রেক্ষিতে আইনি প্রক্রিয়া শেষে বিনা ময়নাতদন্তে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
মৃত শিশুটির বাবা নুর ইসলাম মাতুব্বর বলেন, ‘গত সোমবার দুপুর ১১টার দিকে সুবর্ণার আম্মা নার্গিস বেগম চুলায় রান্না বসায়। সে সময় সুবর্ণা রুমের ভেতর গেন্ডারির রস খাচ্ছিল। মাকে সে বলেছিল চিংড়ি মাছ খাবে। তখন ওভাবেই চুলায় রান্না রেখে বাহিরে চিংড়ি মাছ কিনতে যায় তার মা। গেন্ডারির ছাবলা ফেলতে চুলার পাশের ময়লার ডিব্বার কাছে যায় সুবর্ণা। তখনই চুলা থেকে তার জামায় আগুন ধরে শরীর পুড়ে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে ঢামেকের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়।’
মৃত সুবর্ণা ভোলা সদর উপজেলার চর ভায়া গ্রামের নৌকা চালক নুর ইসলাম মাতব্বরের মেয়ে। দুই বোন এক ভাইয়ে মধ্যে সে ছিল ছোট। স্থানীয় স্কুলে শিশু শ্রেণিতে পড়তো শিশুটি।









