রাজধানীর কদমতলীতে অবৈধভাবে আটক রেখে মুক্তিপণ আদায়কারী চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-১০)। মঙ্গলবার (৩০ মে) কদমতলী থানার মুরাদপুর এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এ সময় বিপ্লব (২৬) নামে আটক ব্যক্তিকে উদ্ধার করা হয়েছে।
বুধবার (৩১ মে) দুপুরে র্যাব-১০ এর অধিনায়ক (সিও) অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন এ তথ্য জানান।
গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন– মো. রজব আলী (২৫) ও নাজিম উদ্দিন (২৩)। তাদের কাছ থেকে তিনটি মোবাইল ফোন ও নগদ অর্থ জব্দ করা হয়েছে।
র্যাব-১০ এর অধিনায়ক জানান, গত ২৮ মে কদমতলী থানার মুরাদপুর এলাকায় একটি নির্মাণাধীন ভবনের পাশে টিনশেড ঘরে ভুক্তভোগী বিপ্লবের সঙ্গে তার বন্ধু হাসানুল ইসলাম স্বপন (২৭) দেখা করতে আসেন। স্বপন ও বিপ্লবের মধ্যে আলোচনার এক পর্যায় ওই চক্রের সদস্য মো. রজব আলী (২৫), নাজিম উদ্দিন (২৩), ইব্রাহিম (২০), আব্দুল জলিল (৪৫) ও রিপন (২৫) মিলে স্বপন ও বিপ্লবকে অবৈধভাবে আটক করে। ভয়ভীতি দেখিয়ে তাদের মারধর করে এবং স্বপনের সঙ্গে থাকা ১২ হাজার ৫০০ টাকা ছিনিয়ে নেয়। পরে আরও পাঁচ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করলে বিপ্লব ৯০০ টাকা সংগ্রহ করে দেন। বাকি টাকার জন্য বিপ্লবকে আটকে রেখে স্বপনকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন বলেন, ‘২৯ মে স্বপনকে ফোন করে বাকি টাকা দিয়ে বিপ্লবকে ছাড়িয়ে নেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করে চক্রের সদস্যরা। টাকা না দিলে প্রাণনাশের হুমকিও দেয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘এ ঘটনার পর বিপ্লবকে উদ্ধারের জন্য র্যাব-১০ এ একটি অভিযোগ দায়ের করেন স্বপন। পরে র্যাব-১০ এর একটি আভিযানিক দল ভুক্তভোগীকে উদ্ধারে ছায়া তদন্ত ও গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে। এরই ধারাবাহিকতায় বিপ্লবকে উদ্ধারসহ অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হয়।’
র্যাব কর্মকর্তা বলেন, ‘প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার দুই জন ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের আইনের আওতায় আনতে অভিযান অব্যবহত রয়েছে। এছাড়া গ্রেফতার আসামিদের সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।’









