সময়োপযোগী পদক্ষেপের কারণে ঢাকা শহরের জলাবদ্ধতা ৭০ থেকে ১০ ভাগে নেমে এসেছে বলে দাবি করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস। তিনি বলেন, ‘আগামী মৌসুমে ঢাকা শহরে আর কোনও জলাবদ্ধতা থাকবে না। ২০২০ সালেও একটু বৃষ্টি হলে শহর প্লাবিত হয়ে যেতো, মনে হতো বন্যা হয়ে গেছে। সেখান থেকে আমরা জলাবদ্ধতা ১০ ভাগে নিয়ে এসেছি।
বুধবার (১৪ জুন) রাজধানীর বংশালে শামসাবাদ খেলার মাঠের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
মেয়র তাপস বলেন, ‘বর্ষা মৌসুমে আমাদের বড় দুশ্চিন্তা অবশ্যই জলমগ্নতা ও জলাবদ্ধতা। আমরা যখন ২০২০ সালে দায়িত্ব নেই তখন খাল, নর্দমাগুলো আমাদের দায়িত্বে ছিল না। তখন অল্প বৃষ্টিতেই ঢাকা শহরের ৭০ ভাগ এলাকা জলমগ্ন হয়ে যেতো, প্লাবিত হয়ে যেতো। মনে হতো যেন বন্যা হয়ে গেছে।’
শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী তাজুল ইসলাম খাল ও নর্দমাগুলো আমাদের কাছে হস্তান্তর করেন। এরপর আমরা ১৩৬টা স্থান নির্ধারণ করে প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর উন্নয়ন করেছি। এর ফলে জলাবদ্ধতা ১০ ভাগে নেমে এসেছে। কিছু কিছু বিচ্ছিন্ন জায়গা ছাড়া এখন আর জলমগ্নতা নাই।’
মেয়র বলেন, ‘আমাদের কিছু কাজ চলমান আছে যেগুলো শেষ হলে আগামী মৌসুমে আর জলাবদ্ধতা থাকবে না।’
শামসাবাদ খেলার মাঠ উদ্বোধন করে মেয়র তাপস বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য একটি উন্নত রাজধানী গড়ে তোলা। উন্নত ঢাকা গড়তে প্রতিটি ওয়ার্ডে খেলার মাঠ, উদ্যানের ব্যবস্থা করা; উন্মুক্ত জায়গার ব্যবস্থা করা। সেখানে ছেলে-মেয়েরা খেলতে পারবে, বয়স্করা হাঁটতে পারবেন। সবাই নির্মল বাতাস উপভোগ করতে পারবেন– সেই পরিপ্রেক্ষিতে আমাদের কার্যক্রম পুরোদমে চলছে।’
এ সময় মেয়র সামসাবাদ খেলার মাঠের হাঁটার পথ (ওয়াকওয়ে) সংলগ্ন জায়গায় একটি পলাশ গাছের চারা রোপণ করেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও ছিলেন– ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হাজী মো. সেলিম, করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান, প্রধান প্রকৌশলী আশিকুর রহমান, সচিব আকরামুজ্জামান প্রমুখ।









