কোটা সংস্কার আন্দোলনে সৃষ্ট সহিংসতায় এ পর্যন্ত ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ১৮৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। ঢামেক হাসপাতালের প্রশাসনিক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
এর মধ্যে ১৭ জুলাই থেকে ২৭ জুলাই পর্যন্ত ৯৮ জনের মৃত্যু হয়। এছাড়া ২৯ জুলাই একজন, ৩১ জুলাই একজনের মৃত্যু হয়েছে। ৩ আগস্ট থেকে ৮ আগস্ট পর্যন্ত মারা যান ৮৬ জন। তাদের মধ্যে ৩ আগস্ট একজন, ৪ আগস্ট ১২ জন, ৫ আগস্ট ৩৮ জন এবং ৬ আগস্ট বিকাল পর্যন্ত ২০ জনের মৃত্যু হয়। এছাড়া ৭ আগস্ট ১০ জন মারা যান। সর্বশেষ ৮ আগস্ট মৃত্যু হয় পাঁচ জনের।
২৯ জুলাই মারা যাওয়া ব্যক্তির নাম মো. বাবুল হাওলাদার (৪৮)। ৩১ জুলাই মারা যান আবদুর রহমান (৪৪) নামে এক ব্যক্তি।
৩ আগস্ট মো. ইমন (১৭) নামে একজনের মৃত্যু হয়। ৪ আগস্ট মারা যাওয়া ব্যক্তিরা হলেন– আব্দুল্লাহ সিদ্দিকী (২৩), তাহিদুল ইসলাম (২২), রমিজ উদ্দিন রুপ (২৪), মো. জুয়েল (২৮), মো. রেজাউল করিম (১৬), রিয়াজ উদ্দিন তালুকদার (৩৫), মো. সেলিম (৪০), মো. জহির উদ্দিন (২৫), মো. সবুজ (২১), রমিজ উদ্দিন রুপ (২৪), অজ্ঞাত কিশোর (১৪), অজ্ঞাত (২৫) পুরুষ।
৫ আগস্টে মারা যান– রাসেল (২৪), আব্দুর রহমান (২৩), রাকিব হোসেন (২২), মানিক মিয়া (২৬), সাইফুল ইসলাম তন্ময় (২২), আবু এহসাক (৫২), আজমত মিয়া (৪০), শাহীন (২৮), সোহেল (২২), ইয়াসিন সরকার (২৪), শাকিল (২১), আব্দুর নূর (৩৫), ইসমাইল হোসেন রাব্বি (২২), রনি (১৭), হামিদুর রহমান (২২), রিটন উদ্দিন (৩২), শাওন (১৩), আব্দুল হান্নান (৫০) রায়হান (১৫), মনোয়ার (৫০), অজ্ঞাত (২৭), অজ্ঞাত (২৫), অজ্ঞাত (২৪), অজ্ঞাত (২৫), অজ্ঞাত (৩৬), অজ্ঞাত (২৫), অজ্ঞাত (৩০), অজ্ঞাত (২৫), অজ্ঞাত (৩০), অজ্ঞাত (১৭), অজ্ঞাত (২৫), অজ্ঞাত (১৯), অজ্ঞাত (৩২), অজ্ঞাত (২২), অজ্ঞাত (২৮),অজ্ঞাত (২২), অজ্ঞাত (২০), অজ্ঞাত (২৫)।
৬ আগস্ট ঢামেক হাসপাতালে যারা মারা গেছেন– রাশেদুল ইসলাম (৪৪), মনির হোসেন (৪৫), রাসেল মাহমুদ (২১), আনোয়ার হোসেন (৫৭), আব্দুল জব্বার (৩০), রোমান (১৭), সাইফুদ্দিন (৬০) সুলতান (৩০), আব্দুল আলিম শেখ (৪৬), সঞ্জয় কুমার দাস (৩১), আশরাফুল (১৭), মো. রুবেল (১৮),মাহফুজুর রহমান (২৪), বাপ্পি ওরফে নুরুজ্জামান, অজ্ঞাত (৩০), অজ্ঞাত (২৮), অজ্ঞাত (৩০), অজ্ঞাত (৪০), (২৪), অজ্ঞাত (৪০), অজ্ঞাত (৩৮)।









