দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে থাকার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ এক্সট্রা মোহরার অ্যাসোসিয়েশনের (নকলনবিশ) সদস্যরা।বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ এক্সট্রা মোহরার অ্যাসোসিয়েশন ও বৈষম্যবিরোধী নকলনবিশ দাবি আদায় পরিষদ জাতীয়করণের এক দফা এক দাবি নিয়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছে।
অবস্থান কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে সংসদসহ সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তি ও কর্মকর্তারা নকলনবিশদের চাকরি জাতীয়করণের আওতায় আনার ঘোষণা দিয়েছিলেন। এরপর বার বার সরকারের পালাবদল ঘটলেও নকলনবিশদের ভাগ্য পরিবর্তন হয়নি।
তারা বলেন, সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে কর্মরত ১৬ হাজার ২৪৬ জন নকলনবিশ জাতীয়করণের দাবিতে ১৯৮২ সাল থেকে আন্দোলন চলছে।
তারা আরও বলেন, সবাই জানে নকলনবিশরা সরকারি চাকরি করে কিন্তু বেতন-ভাতা পায় না। জমির দলিলের এক পৃষ্ঠা বালাম লেখার জন্য নকলনবিশরা পায় মাত্র ২৪ টাকা। আর এক পৃষ্ঠা বালাম লেখার জন্য জনগণের কাছ থেকে সরকার রাজস্ব নেয় ৪০ টাকা। সেখান থেকে নকলনবিশদের দেওয়া হচ্ছে ২৪ টাকা। বাকি ১৬ টাকা রাজস্ব খাতে জমা হচ্ছে। নকলনবিশদের টাকা দিয়েই তাদের চাকরি জাতীয়করণ সম্ভব।
এ সময় নকলনবিশ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ও বৈষম্যবিরোধী নকলনবিশ দাবি আদায় পরিষদের সদস্য সচিব মো. আল-আমিন সরকার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমরা আমাদের জাতীয়করণের এক দফা এক দাবি নিয়ে ২৬ দিন ধরে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছি। অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ নজরুল আমাদের ২৭ অক্টোবর আমাদের আশ্বাস দিলেও তা কার্যকর হয়নি।’
অবস্থান কর্মসূচিতে আরও ছিলেন- নকলনবিশ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও বৈষম্যবিরোধী নকলনবিশ দাবি আদায় পরিষদের আহ্বায়ক মো. রফিকুল ইসলাম, মো. আজিজুল হক, এনামুল হাসান, মাসুদ রানা, শাহ রিপন, জাহাঙ্গীর আলম, সেলিনা আক্তার, রুবেলসহ কেন্দ্রীয়, বিভাগ, জেলা ও উপজেলার সর্বস্তরের নকল নবীশেরা।
জাতীয়করণ করার দাবিতে গত ২০ অক্টোবর থেকে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছে বাংলাদেশ এক্সট্রা মোহরার অ্যাসোসিয়েশন ও বৈষম্যবিরোধী নকলনবিশ দাবি আদায় পরিষদ।









